ব্যয় সাশ্রয়ে প্রেসিডেন্ট ও সংসদ নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠানের সরকারি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে মালদ্বীপের জনগণ।
রোববার গণভোটের আনুষ্ঠানিক ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।
দেশটির নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের গণভোটে ৬৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ ভোটার প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। দেশটির ২ লাখ ৯৪ হাজার ভোটারের দুই-তৃতীয়াংশ এই গণভোটে অংশ নেন।
গণভোটের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত স্থানীয় পরিষদ নির্বাচনেও পরাজিত হয়েছেন প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জুর পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, প্রধান বিরোধী দল মালদ্বীপিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি রাজধানী মালে এবং দ্বীপপুঞ্জের দ্বিতীয় বৃহত্তম নির্বাচনী এলাকা আদ্দুর গুরুত্বপূর্ণ কাউন্সিলগুলোতে জয়লাভ করেছে।
এক্সে দেয়া পোস্টে মুইজ্জু বলেন, ‘আমি শনিবারের নির্বাচনের ফলাফল শ্রদ্ধার সাথে মেনে নিচ্ছি।’ একইসাথে স্থানীয় নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান তিনি।
আর্থিক সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসতে ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে মুইজ্জু এই গণভোটের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার যুক্তি ছিল, দু’টি জাতীয় নির্বাচন একসাথে করলে প্রায় ৮০ লাখ মার্কিন ডলার সাশ্রয় হবে।
প্রস্তাবটিতে বর্তমান আইনসভার মেয়াদ প্রায় পাঁচ মাস কমিয়ে ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সাথে সংসদ নির্বাচন সমন্বয় করার কথা বলা হয়েছিল।
২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ সহায়তা প্রত্যাখ্যান করে মালদ্বীপ সরকার ব্যাপক ব্যয় কর্তনের ঘোষণা দেয়। এর অংশ হিসেবে মুইজ্জুর বেতনও অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়।
প্রায় ৩ লাখ ৮২ হাজার মানুষের বসবাস মালদ্বীপে। দেশটি জানিয়েছে, তাদের আর্থিক সঙ্কট সাময়িক এবং বাহ্যিক সহায়তা নেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।
সূত্র : বাসস



