ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফা ভোট গ্রহণের আগে চূড়ান্ত ব্যস্ততায় সবকটি রাজনৈতিক দল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন।
রোববার (২৬ এপ্রিল) তার প্রথম সভা ছিল মতুয়া অধ্যুষিত বনগাঁর ঠাকুরনগরে। উত্তর ২৪ পরগণার অন্তর্গত এই অঞ্চলে আয়োজিত সভায় মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেয়ার বিষয়ে আশ্বাস দেন।
এসআইআর-এর পর মতুয়া অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মোদি বলেন, দেশভাগ থেকে আজ পর্যন্ত সমস্ত শরণার্থীর দায়িত্ব আমাদের। তাদের জন্য চিন্তা করা ভারতের ঐতিহাসিক দায়িত্ব। সেই জন্য মোদি সিএএ এনেছিল। মতুয়া, নমশূদ্রদের বলব আপনাদের নাগরিকত্ব, স্থায়ী ঠিকানা, কাগজ দেয়া হবে, সব অধিকার দেয়া হবে, যা ভারতের নাগরিকরা পান।
পাশাপাশি তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, তৃণমূল মিথ্যা প্রচার করছে। এটা থেকে সাবধান হতে হবে আপনাদের। এরা প্রকাশ্যে সিএএ-র বিরোধিতা করে। এরা কি আপনাদের ভালো চায়?
পরে হরিপালের জনসভা থেকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মোদি। তিনি বলেছেন, ‘নবান্ন থেকে সরকার চলে না। হয় এই সরকার চালায় তৃণমূলের গুন্ডা, মস্তানরা। হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সরকার কাজ করে।’
আইপ্যাক মামলার প্রসঙ্গও টানেন তিনি। মোদি বলেন, তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর কাজে বাধা সৃষ্টি করছিল। প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।’
অন্যদিকে, অমিত শাহেরও একাধিক কর্মসূচি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। নদীয়া জেলার রানাঘাটের জনসভা থেকে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা এবং ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টির’ হুমায়ুন কবীরকে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। তিনি ঘোষণা দেন যে, বাবরি মসজিদের অনুকরণে মসজিদ তিনি হতে দেবেন না।
সূত্র : বিবিসি



