শুভেন্দুর শপথগ্রহণের দিনে কর্মসূচি ঘোষণা মমতার

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শনিবার (৯ মে) ব্রিগেডে শপথগ্রহণ করবেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় একই সময়ে কালীঘাটের বাড়ির চত্বরে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করবেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা ব্যানার্জী
শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা ব্যানার্জী |সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শনিবার (৯ মে) ব্রিগেডে শপথগ্রহণ করবেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় একই সময়ে কালীঘাটের বাড়ির চত্বরে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করবেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।

এ কর্মসূচিতে দলের নেতৃত্বস্থানীয়দের ডাকা হয়েছে। উপস্থিত থাকার কথা আছে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জীরও। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পরে এটাই তৃণমূলনেত্রী মমতা ব্যানার্জীর প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি।

শনিবার মমতার বাড়ির অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করার কথা সদ্যসাবেক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়ের।

তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, তিনটি জায়গায় অরাজনৈতিক সংগঠন রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের অনুমতি চেয়েছিল পুলিশের কাছে, কিন্তু তা দেয়া হয়নি।

তৃণমূলের পক্ষে সংগঠনের সর্বস্তরে বার্তা দেয়া হয়েছে যে, যেখানে সম্ভব সেখানে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করতে হবে। তবে ক্ষমতায় থাকার সময়ে রাখি পূর্ণিমা ও রবীন্দ্রজয়ন্তী যেভাবে পালন করত তৃণমূল, এবার যে তেমন কিছু করার পরিস্থিতি নেই তা দলের সর্বোচ্চ নেতারাও জানেন। সেই মতোই বার্তা দেয়া হয়েছে।

তবে দলের পক্ষ থেকে এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে ‘আক্রান্ত’ কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোকে।

রবীন্দ্রজয়ন্তী হলেও শনিবারের কর্মসূচি থেকে মমতা দলকে কোনো রাজনৈতিক এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচির বার্তা দেন কি-না, সে দিকে নজর থাকবে।

দু’দিন আগে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে কালীঘাটের বাড়িতেই বৈঠক করেছিলেন মমতা। তারপরে জেলা নেতৃত্বকে ‘বিজেপির হামলার প্রতিবাদে’ এলাকায় মিছিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

সূত্র: আনন্দবাজার