পাকিস্তানে বাস থামিয়ে ৯ যাত্রীকে অপহরণের পর হত্যা

ঝোবের সহকারী কমিশনার নবীদ আলম জানান, বন্দুকধারীরা যাত্রীদের অপহরণের পর একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে গুলি চালায়। নিহতদের লাশ বেলুচিস্তানের বারখান জেলার রেক্নি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

পাকিস্তানে বেলুচিস্তানে কমপক্ষে নয়জন যাত্রীকে অপহরণের পর গুলি করে হত্যা করেছে বন্দুকধারীরা। শুক্রবার (১১ জুলাই) বেলুচিস্তানের কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বেলুচিস্তানের উত্তরাঞ্চলের ঝোব শহরের কাছে ঘটনাটি ঘটেছে। কোয়েটা থেকে লাহোরগামী ওই বাসটির গতিরোধ করে সশস্ত্র হামলাকারীরা। পরে যাত্রীদের নামিয়ে নির্দিষ্টভাবে নয়জনকে আলাদা করে গুলি করে হত্যা করা হয়।

ঝোবের সহকারী কমিশনার নবীদ আলম জানান, বন্দুকধারীরা যাত্রীদের অপহরণের পর একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে গুলি চালায়। নিহতদের লাশ বেলুচিস্তানের বারখান জেলার রেক্নি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র শাহিদ রিন্দ এই নৃশংস হামলাকে উগ্রবাদী কার্যক্রম বলে অভিহিত করে কড়া ভাষায় নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা বাস থামিয়ে যাত্রীদের জোর করে নামায়, তাদের শনাক্ত করে এবং নির্মমভাবে নয় নিরীহ পাকিস্তানিকে হত্যা করে।’

তিনি আরো জানান, অপহরণের ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে হামলাকারীরা অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়। তাদের ধরতে এলাকাজুড়ে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী মির সরফরাজ বুগতি এই বর্বর হত্যাকাণ্ডকে উগ্রবাদ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি ফিতনা-ই-হিন্দুস্তান সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর কাজ এবং এটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ। তিনি উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক ধ্বংস করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা ফিতনা-ই-হিন্দুস্তানের প্রতিটি ষড়যন্ত্র পূর্ণ শক্তি ও ঐক্য নিয়ে চূর্ণ করে দেব।’

সূত্র : জিও নিউজ