কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আজ সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে বৈঠকে বসবেন। এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো দু’দেশের মধ্যে কিছুটা তানাপোড়েনের সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বাণিজ্য বৈচিত্র্য আনার প্রচেষ্টা জোরদার করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উভয়পক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নয়াদিল্লিতে আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সবুজ জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এটির প্রধান লক্ষ্য হবে দীর্ঘ আলোচিত একটি বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির জন্য আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করা।
গত শনিবার মুম্বাইয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে কথা বলার সময় কার্নি বলেন, পরিকল্পিত চুক্তি, যা তিনি বছরের শেষ নাগাদ স্বাক্ষর করতে চাইছেন, এর ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য দ্বিগুণ করতে পারে।
তিনি বলেন, ‘এই সফর একটি চ্যালেঞ্জিং সময়ের সমাপ্তি এবং আরো গুরুত্বপূর্ণভাবে দু’টি আত্মবিশ্বাসী এবং পরিপূরক দেশের মধ্যে একটি নতুন, আরো উচ্চাকাঙ্ক্ষী অংশীদারিত্বের সূচনা।’
কার্নির এই সফর গত ২০২৩ সালে কানাডায় শিখ কর্মীদের বিরুদ্ধে মারাত্মক প্রচারণা চালানোর জন্য নয়াদিল্লিকে অভিযুক্ত করার পর কার্যকরভাবে ভেঙে পড়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কার্নির এই সফর দু’দেশের সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রেও একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’।
ভারত আরো বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে চাইছে এবং বলেছে, কানাডিয়ান পেনশন এবং সম্পদ তহবিল ইতিমধ্যেই ৭৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত আশা করছে, কানাডা তাদের পারমাণবিক শক্তি সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় সহায়তা করতে পারে।
সূত্র : বাসস



