পাকিস্তানজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিলেন ইমরান খান

তোশাখানা মামলায় ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এর প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক দেন তিনি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান |সংগৃহীত

তোশাখানা মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। এর প্রতিবাদে দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তিনি।

এছাড়াও ইসলামাবাদ হাইকোর্টে এ রায়কে চ্যালেঞ্জ করার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

কারাগারে থাকায় ইমরান খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন না। তবে এক্সে তার আইনজীবীর তাদের কথোপকথনের বিবরণ প্রকাশ করেছেন। এতে ইমরান খান বলেছেন, ‘আমি খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিকে রাজপথে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে একটি বার্তা পাঠিয়েছি। সমগ্র জাতিকে তার অধিকারের জন্য জেগে উঠতে হবে।’

ইমরান খান বলেন, এই মামলায় তার সাজার বিষয়টি অবাক করার মতো কিছু না। তবে তিনি তার আইনি দলকে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যেতে বলেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘গত তিন বছরের ভিত্তিহীন সিদ্ধান্ত ও রায়ের মতো তোশাখানা-২ এর রায়ও আমার কাছে নতুন কিছু নয়। বিচারক কোনো প্রমাণ ছাড়াই এবং আইনি প্রয়োজনীয়তা পূরণ না করেই তাড়াহুড়ো করে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।’

পিটিআই প্রধান বলেন, আইনের শ্রেষ্ঠত্ব ও সংবিধান পুনরুদ্ধারের জন্য ইনসাফ আইনজীবী ফোরাম এবং আইনজীবি সম্প্রদায়ের ‘সামনে এগিয়ে আসা’ অনিবার্য। তিনি বলেন, ন্যায়বিচার ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

এদিকে পিটিআই এক বিবৃতিতে এই রায়কে ‘অসাংবিধানিক, অবৈধ, বিদ্বেষপূর্ণ ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের সবচেয়ে খারাপ রূপ এবং নির্যাতনের একটি নিকৃষ্টতম উদাহরণ’ বলে অভিহিত করেছে।

পিটিআই নেতারা অভিযোগ করেন, এই সাজা কেবল ইমরান খানের কারাবাসের মেয়াদ বাড়ানোর এবং একটি ‘ভয়ঙ্কর শাসক চক্র’কে সাময়িক স্বস্তি দেয়ার প্রচেষ্টা। তারা বলেন, পাকিস্তানে আইনের শাসন সমাহিত করা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিশোধ একটি ‘অধীনস্থ’ বিচার বিভাগের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্র : ডন