ভারতের ‘এয়ার ইন্ডিয়া’র যাত্রীবাহী বিমান এআই১৭১ গুজরাটের রাজধানী আহমেদাবাদে ভেঙে পড়েছে। বিমানটি আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১টা ৩৮ মিনিটে আহমেদাবাদ বিমানবন্দর ছাড়ে। তার কিছুক্ষণ পরই দুর্ঘটনায় পড়ে।
ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন অধিদফতরের প্রধান ফয়েজ আহমেদ কিদওয়াই, অ্যাসোসিয়েটেডে প্রেসকে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত উড়োজাহাজটিতে ২৩২ জন যাত্রী এবং ১২ জন ক্রু ছিলেন।
বোয়িং সংস্থার ৭৮৭-৮ বিমানটিতে যাত্রী ও বিমানকর্মী মিলিয়ে ১৬৯ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। এছাড়া, ৫৩ জন ব্রিটিশ, একজন কানাডিয়ান এবং সাতজন পর্তুগিজ নাগরিক দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটিতে ছিলেন।
উড়োযানটি একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার। যার ধারণক্ষমতা ২৫৬ জন।
এই প্রথম বোয়িং ৭৮৭ এভাবে ভেঙ্গে পড়ল
আহমেদাবাদের আগে কখনো বোয়িং ৭৮৭ বিমান এভাবে ভেঙ্গে পড়েনি।
প্রায় ১৪ বছর আগে এই মডেলটি বাজারে এনেছিল বোয়িং সংস্থা এবং ছয় সপ্তাহ আগে ড্রিমলাইনার মডেলের বিমানে ১০০ কোটি যাত্রী বহন করার মাইলফলক অর্জন করে বোয়িং কোম্পানি।
সে উপলক্ষে বোয়িং জানিয়েছিল যে, তাদের তৈরি ১১৭৫টি বোয়িং ৭৮৭ বিমান ৫০ লাখ ফ্লাইট অপারেট করেছে, বিমানগুলো আকাশে উড়েছে তিন কোটি ঘণ্টা।
এ ঘটনাটি বোয়িং সংস্থাকে এত বড় ধাক্কা দিলো এমন একটা সময়ে, যখন সংস্থাটি ৭৩৭ বিমান একের পর এক ভেঙেপড়াসহ নানা সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।
আহমেদাবাদের ঘটনার পরে সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ঘটনার ব্যাপারে প্রাথমিক রিপোর্ট পেয়েছে এবং চেষ্টা করছে আরো তথ্য জানতে।
বিমানটির পাইলটদের তথ্য প্রকাশ
আহমেদাবাদে বিধ্বস্ত বিমানটির পাইলটদের তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রক ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন বা ডিজিসিএ।
ডিজিসিএকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বিমানটির পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়াল একজন এলটিসি ছিলেন। তার ৮২০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল। কো-পাইলটের ১১০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল।
এলটিসির অর্থ হলো লাইন ট্রেনিং ক্যাপ্টেন, অর্থাৎ তিনি অন্য পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিতেন।
সূত্র : বিবিসি



