পশ্চিমবঙ্গে নতুন ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে ধর্নায় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা

তিনি ওই মঞ্চ থেকে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, বুলডোজার দিয়ে ভাঙচুর, হকার উচ্ছেদসহ একাধিক অভিযোগ তুলেছেন বর্তমান শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ধর্নায় পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী
ধর্নায় পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী |সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নতুন শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার ধর্না বা অবস্থান ধর্মঘটে বসেছেন রাজ্যটির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জী।

তিনি ওই মঞ্চ থেকে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা, বুলডোজার দিয়ে ভাঙচুর, হকার উচ্ছেদসহ একাধিক অভিযোগ তুলেছেন বর্তমান শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে।

তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও তার অভিযোগ। তিনি বলেন, ‘আমাদের সাংসদ, বিধায়ক, কাউন্সিলরদের ভয় দেখানো হচ্ছে। ভয় পাবেন না।’

‘আমাকে আটকাতে পারবেন না। সংবিধান রক্ষা করব। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। আমাদের কর্মী-সমর্থকরা আক্রান্ত।’

কলকাতার ওয়াই চ্যানেলের ওই ধর্নায় তার পাশাপাশি নয়না ব্যানার্জী, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, দোলা সেন, কল্যাণ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কল্যাণ ব্যানার্জীসহ তৃণমূলের একাধিক নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত হন।

নির্বাচন-পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে ধর্না কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমতি মেলেনি, তা নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন মমতা ব্যানার্জী এবং তার দলের নেতারা।

সকাল থেকেই এ অংশে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ছিল। সেদিকে ইঙ্গিত করে মমতা বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ একটা মিটিংকে আপনারা কারাগারে পরিণত করেছেন। আমাদের কর্মীদের আসতে দেয়া হচ্ছে না।’

এরপরই তিনি কড়া বার্তা দেন— ‘আমাদের কর্মীদের আসতে দিন। নয়তো লালবাজার ঘেরাও হবে, নবান্ন ঘেরাও হবে।’ বলেন, ‘আপনারা জায়গা দেবেন না তো? আমাদের জায়গা মানুষের মনে।’

সূত্র : বিবিসি