সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্ঘাত বিস্তার রোধে ইয়েমেনে ‘সীমিত প্রাক-প্রতিরোধমূলক হামলা’ চালিয়েছে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।
বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
গত মাসে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী হাদরামাউত প্রদেশের বড় অংশসহ ইয়েমেনের একটি বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয় এবং সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনীকে সেখান থেকে বিতাড়িত করে।
তবে গত সপ্তাহে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলা ও স্থলভাগে পাল্টা অভিযানে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়।
বুধবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটটি জানায়, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা আইদারোস আল-জুবাইদির মাধ্যমে সঙ্ঘাত আরো বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং তা আল-ধালে গভর্নরেট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ানো ঠেকাতেই, নতুন করে এই সব হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘নিরাপত্তা জোরদার ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা ইয়েমেনি সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছি।’
সঙ্ঘাত প্রশমনের লক্ষ্যে আলোচনায় অংশ নিতে আল-জুবাইদির মঙ্গলবার সৌদি রাজধানী রিয়াদ যাওয়ার কথা ছিল।
তবে জোটের ভাষ্য অনুযায়ী, তার বিমান দেরিতে ছাড়ে এবং তিনি সেই ফ্লাইটে ছিলেন না।
জোট দাবি করে, আল-জুবাইদি ‘অজানা কোন স্থানে পালিয়ে গেছেন, যার ফলে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সদস্য ও নেতারা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাচ্ছেন না।’
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত উভয়ই ধনী তেল উৎপাদনকারী প্রতিবেশী দেশ।
দেশ দু’টি দীর্ঘদিন ধরে ইয়েমেনের দক্ষিণভিত্তিক দুর্বল ও ভঙ্গুর সরকারের ভিন্ন ভিন্ন পক্ষকে সমর্থন দিয়ে আসছে।
এর আগে তারা একসাথে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিয়ে ইরান-সমর্থিত হাউছি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। হাউছিরা ২০১৪ সালে সরকার উৎখাত করে দেশের উত্তরাঞ্চলের বড় অংশ দখল করে নেয়।
সূত্র : এএফপি/বাসস



