দিল্লি-ওয়াশিংটন রুটে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট

কেন দিল্লি ও ওয়াশিংটন ডিসির মধ্যে পরিষেবা স্থগিত রাখা হচ্ছে, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছে বিমানসংস্থাটি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান
এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান |সংগৃহীত

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী যথাক্রমে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন ডিসির মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যাত্রীদের হয় ঘুরা পথে, নয়তো অন্য বিমান সংস্থার ওপর ভরসা করতে হবে।

সোমবার (১১ আগস্ট) এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে বিমান চলাচল স্থগিত রাখার বিষয়টি জানানো হয়। কেন দিল্লি ও ওয়াশিংটন ডিসির মধ্যে পরিষেবা স্থগিত রাখা হচ্ছে, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছে বিমানসংস্থাটি।

এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, তাদের বেশ কয়েকটি বিমানের সংস্কারের কাজ চলছে। সেই কারণে বিশেষত, কোনো বোয়িং ৭৮৭-৭ ড্রিমলাইনার বিমান এখন আকাশে উড়বে না। শুধু তা-ই নয়, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আকাশসীমা বন্ধ থাকায় দীর্ঘ যাত্রাপথের বিমান পরিষেবাগুলো ব্যাহত হচ্ছে। সব দিক বিবেচনা করেই আপাতত দিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ।

যেসব যাত্রী ইতোমধ্যেই ১ সেপ্টেম্বরের পর দিল্লি ও ওয়াশিংটনের এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের টিকিট কেটেছেন, তারা সমস্যায় পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে সেইসব যাত্রীর সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিকল্প পথে দিল্লি থেকে ওয়াশিংটন বা ওয়াশিংটন থেকে দিল্লি আসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে যসব যাত্রী সেই বিকল্পে রাজি নন, তাদের টিকিটের টাকা সম্পূর্ণ ফেরত দেয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ।

দিল্লি থেকে সরাসরি ওয়াশিংটনের বিমান না থাকলেও নিউইয়র্ক, নেওয়ার্ক, শিকাগো ও সান ফ্রান্সিসকো হয়ে ওয়াশিংটন পৌঁছোতে পারবেন যাত্রীরা।

উল্লেখ্য, গত ১২ জুন অহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের অদূরে গ্যাটউইকের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বোয়িং সংস্থার এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান এআই ১৭১। রানওয়ে ছাড়ার ৩২ সেকেন্ডের মধ্যে সেটি সামনের বহুতল ভবনে ধাক্কা খেয়ে ভেঙে পড়ে। বিমানটিতে থাকা ২৪২ জনের মধ্যে ২৪১ জনসহ মোট ২৬০ জনের মৃত্যু হয় ওই ঘটনায়।

অহমেদাবাদে যে বিমানটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি বোয়িংয়ের ৭৮৭ মডেলের ছিল। দুর্ঘটনার পর পরই এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের সব বিমানে পরীক্ষা শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা