থাইল্যান্ডের একটি স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে সন্দেহভাজন কিশোর হামলাকারী এবং স্কুলটির পাঁচ শিক্ষকও রয়েছেন।
রাজধানী ব্যাংককের একেবারে পাশেই অবস্থিত ননতাবুরি প্রদেশের ব্যাং ক্রুয়াই জেলার একটি স্কুলে আজ গুলির ঘটনা ঘটে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ হামলাকারীকে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে শনাক্ত করেছে।
স্থানীয় সময় সকাল ১০টার কিছু পরে ডেবসিরিন স্কুলে গুলির ঘটনা ঘটে। কর্তৃপক্ষ বলছে, সন্দেহভাজন হামলাকারী ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর যে স্কুলে যাওয়ার আগে নিজের বাড়িতে তার দাদা-দাদিকে হত্যা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, সে যে নয় মিলিমিটার পিস্তল ব্যবহার করেছে সেটি তার দাদার ছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার কাছে আরো কমপক্ষে ৩৪ রাউন্ড গুলি পাওয়া গেছে।
সন্দেহভাজন হামলাকারীর মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, তার উদ্দেশ্য কী ছিল তা তারা এখনো জানে না।
এই ঘটনায় ৩০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে নয়জনের অবস্থা ‘গুরুতর’ বলে জানিয়েছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল।
এ ঘটনার পর থাইল্যান্ডের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার আহ্বান নতুন করে জোরালো হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে অস্ত্রের মালিকানার হার অন্যতম উচ্চ।
সূত্র: বিবিসি



