জাপানে ২০২৫ সালে টানা দশম বছরের মতো জন্মসংখ্যা কমেছে বলে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সরকারি তথ্যে জানা গেছে। এতে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সামনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো আরো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, জাপানে ২০২৫ সালে মোট সাত লাখ পাঁচ হাজার ৮০৯ জন শিশুর জন্ম হয়েছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় দু’ দশমিক এক শতাংশ কম।
এ পরিসংখ্যানে দেশটিতে জাপানি নাগরিকদের সন্তান, সে দেশে বিদেশীদের সন্তান ও বিদেশে জন্ম নেয়া জাপানি নাগরিকদের সন্তান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপানে জন্মহার বিশ্বে অন্যতম সর্বনিম্ন ও দেশটির জনসংখ্যা ক্রমেই কমছে।
এর ফলে ইতোমধ্যেই শ্রমশক্তির ঘাটতি, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় বৃদ্ধি ও কর প্রদানকারী কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা হ্রাসসহ নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
এর প্রভাব জাপানের বিপুল ঋণের ওপরও পড়ছে। প্রধান অর্থনীতিগুলোর মধ্যে দেশটির ঋণ-জিডিপি অনুপাত ইতোমধ্যেই সর্বোচ্চ।
সানায়ে তাকাইচিসহ ধারাবাহিক জাপানি নেতারা জন্মহার বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিলেও সাফল্য সীমিত।
গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে তাকাইচি বলেন, হ্রাসমান জন্মহার ও সঙ্কুচিত জনসংখ্যা এক নীরব জাতীয় জরুরি অবস্থা, যা ধীরে ধীরে আমাদের দেশের প্রাণশক্তিকে ক্ষয় করছে।
তাকাইচির ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৮ ফেব্রুয়ারির আগাম নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
অভিবাসন বৃদ্ধি জাপানের জনসংখ্যা হ্রাস ও শ্রমবাজার-সংক্রান্ত সমস্যাগুলো মোকাবেলায় সহায়ক হতে পারে।
তবে ‘জাপানিজ ফার্স্ট’ নীতির সানসিতো পার্টির চাপের মুখে ডানপন্থী তাকাইচি অভিবাসন বিষয়ে আরো কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বাসস



