ইরানের ওপর সরাসরি নতুন কোনো সামরিক হামলা নয়, বরং অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়েই তেহরানকে কাবু করার নীতিতে হাঁটছে ওয়াশিংটন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনদোলু, রোববার (৯ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'অ্যাক্সিওস'-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, 'আমরা বিষয়টিকে কিছুটা নরম সুরেই রাখছি।'
তিনি জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে তেহরানের সাথে কেবল 'অর্ধেক বা নামকাওয়াস্তে আলোচনা' চালিয়ে যাচ্ছে। একই সাথে নজর রাখা হচ্ছে ইরানের ধসে পড়া অর্থনীতির ওপর।
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, 'বিপুল মূল্যস্ফীতি আর পকেটে টাকা না থাকায় ইরান কীভাবে ধুঁকছে, আমরা কেবল তা পর্যবেক্ষণ করছি।' তিনি দাবি করেন, আর্থিক অবস্থা খুবই নাজুক হওয়ায় নিজ সৈন্যদের বেতন দিতেও হিমশিম খাচ্ছে তেহরান।
ট্রাম্প আরো জানান, মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে ইরান সরকারের ওপর চাপ অনেকটাই বেড়েছে, যা দেশটির অর্থনৈতিক সংকটকে আরো চড়া করেছে।
তবে এই দ্বন্দ্বের কারণে মার্কিন নাগরিকদের ওপর যে আর্থিক প্রভাব পড়েছিল, তা আপাতত কিছুটা কমেছে বলে জানান তিনি। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলারের কিছুটা ওপরে নেমে আসাই এর প্রধান কারণ।
তেহরানের সাথে সংঘাতের এই পুরো বিষয়টি নিয়ে আশাবাদী ট্রাম্প বলেন, 'সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। সবকিছুরই একটা সমাধান হয়। এটি একটি দাবা খেলার মতো।'



