ইরান নীতিতে দুমুখী কৌশলে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের এই কৌশলের প্রথম পদক্ষেপ হলো হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল স্বাভাবিক করা এবং দ্বিতীয় পদক্ষেপ হলো ইরানকে ফের আলোচনায় ফিরিয়ে আনা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলছে
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলছে |সংগৃহীত

ওয়াশিংটন ইরানের বিষয়ে একই সাথে সামরিক চাপ ও কূটনৈতিক আলোচনার দুটি সমান্তরাল পথ খোলা রাখছে বলে মনে করেন ডেলওয়্যার রাজ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সাবেক পরিচালক রব আর্লেট।

২৬ আগস্ট প্রকাশিত আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে তিনি জানান, ট্রাম্পের এই কৌশলের প্রথম পদক্ষেপ হলো হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল স্বাভাবিক করা এবং দ্বিতীয় পদক্ষেপ হলো ইরানকে ফের আলোচনায় ফিরিয়ে আনা।

রব আর্লেটের মতে, পুরো সংকট চলাকালেই মার্কিন কূটনীতির দরজা খোলা ছিল। তবে উভয় দেশের সমঝোতা স্মারকটি বাস্তবায়িত না হওয়ার দায় তিনি তেহরানের ওপরই চাপিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, দ্বিপক্ষীয় এই সমঝোতা সই হলেও ইরান তা মেনে চলেনি। উল্টো এ অঞ্চলের বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণ শুরু করে তারা। মূলত ইরানের এমন আচরণের কারণেই সমঝোতা স্মারকটি নস্যাৎ হয়ে যায়। রব আর্লেটের আরো দাবি, তেহরানের শাসনব্যবস্থা নিজেই সমঝোতা স্মারকটি বাতাসে উড়িয়ে দেয়ার পথ বেছে নিয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানকে তাদের কথার ভিত্তিতে নয়, বরং কাজের ভিত্তিতে বিচার করবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজর তেহরানের বক্তব্যের দিকে নয়, তাদের পদক্ষেপের দিকে। তেহরান সত্যিই আলোচনায় ফিরতে আন্তরিক, নাকি তারা কেবল কথার খেলা খেলছে—তা সময়ের সাথে সাথে পরিষ্কার হবে। ইরানের প্রতিটি ভূমিকার জন্য মার্কিন প্রশাসন তেহরানকে জবাবদিহিতার আওতায় রাখা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি পরিষ্কার ভাষায় বলেন।