দক্ষিণ লেবাননের ঐতিহাসিক শহর নাবাতিয়াহ কয়েক দশক ধরে ইসরাইলি দখলদারিত্ব ও সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। বারবার ইসরাইলি হামলার শিকার হলেও শহরটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে দৃঢ়তা ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত নাবাতিয়াহ শুধু একটি প্রশাসনিক শহর নয়, এটি দেশটির রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও প্রতিরোধ আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। বহু বছর ধরে ইসরাইলি বিমান হামলা ও সামরিক অভিযানের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে শহরটি।
সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননে ইসরাইলের নতুন দফা হামলার মধ্যেও নাবাতিয়াহ আবারও আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘদিনের সংঘাত, ধ্বংস ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও তারা নিজেদের ভূমি ছাড়েননি।
ইতিহাসবিদদের মতে, নাবাতিয়াহর প্রতিরোধের ইতিহাস শতাব্দীপ্রাচীন। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি দখল ও সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণের অবস্থান শহরটিকে প্রতিরোধের প্রতীকে পরিণত করেছে।
শহরটিতে বহুবার অবকাঠামো ধ্বংস, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হলেও স্থানীয়দের জীবনযাত্রা পুরোপুরি থেমে যায়নি। কৃষি, ছোট ব্যবসা ও সামাজিক সংহতির ওপর ভর করে মানুষ বারবার পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নাবাতিয়াহর অভিজ্ঞতা শুধু একটি শহরের সংগ্রামের গল্প নয়; এটি দক্ষিণ লেবাননের মানুষের টিকে থাকা, প্রতিরোধ ও আত্মপরিচয়েরও প্রতিচ্ছবি।
সূত্র : আল জাজিরা



