গাজায় ত্রাণকর্মী হত্যার তদন্ত বন্ধের ইসরাইলি সিদ্ধান্তে ‘ক্ষুব্ধ’ অস্ট্রেলিয়া

গাজায় অস্ট্রেলীয় ত্রাণকর্মী লালজাওমি ‘জোমি’ ফ্র্যাঙ্ককম ও তার সহকর্মীদের হত্যার ঘটনায় ফৌজদারি তদন্ত না চালানোর ইসরাইলি সিদ্ধান্তে অস্ট্রেলিয়া ‘ক্ষুব্ধ’ হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
গাজায় অস্ট্রেলীয় ত্রাণকর্মী জোমি ফ্র্যাঙ্ককম
গাজায় অস্ট্রেলীয় ত্রাণকর্মী জোমি ফ্র্যাঙ্ককম |সংগৃহীত

গাজায় অস্ট্রেলীয় ত্রাণকর্মী লালজাওমি ‘জোমি’ ফ্র্যাঙ্ককম ও তার সহকর্মীদের হত্যার ঘটনায় ফৌজদারি তদন্ত না চালানোর ইসরাইলি সিদ্ধান্তে অস্ট্রেলিয়া ‘ক্ষুব্ধ’ হয়েছে। দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এ কথা বলেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক বিবৃতিতে বলেন, এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত হিলেল নিউম্যানকে তলব করা হবে। একইসাথে ইসরাইলে নিযুক্ত অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূতকে দেশটির সরকারের কাছে ‘সরাসরি আমাদের অবস্থান জানাতে’ বলা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সরকার গত রাতে ইসরাইলের এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পারে। ঘোষণার মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগে আমাদের এ বিষয়ে জানানো হয়। বিশ্ব মানবিকতা দিবসে এমন সিদ্ধান্ত জোমির স্বজন, মানবিক সহায়তাকর্মী এবং সব অস্ট্রেলীয় নাগরিকের জন্য বিশেষভাবে অপমানজনক।’

২০২৪ সালের এপ্রিলে ইসরাইলি বিমান হামলায় ভুল করে তাদের ত্রাণবহরে আঘাত হানলে ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেনের সাত কর্মীর একজন ফ্র্যাঙ্ককম নিহত হন।

তাদের মৃত্যু বিশ্বজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। একইসাথে গাজায় ত্রাণকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি নতুন করে জোরালো হয়।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এর আগে স্বীকার করেছিলেন, দেশটির সামরিক বাহিনী ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে’ ওই স্বেচ্ছাসেবীদের হত্যা করেছে।

তবে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বুধবার জানায়, তাদের মৃত্যুর ঘটনায় কোনো ফৌজদারি তদন্ত করা হবে না।

এর প্রতিক্রিয়ায় ওং বলেন, ‘জোমি অস্ট্রেলিয়ার সেরাটার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার সাহসের প্রশংসা করা উচিত। তার পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত আমাদের প্রত্যাশিত জবাবদিহির ধারের কাছেও যায় না।’

সূত্র: বাসস