গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি হামলায় এক শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছে।
গত ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। একই সাথে ইসরাইল ও হামাস উভয়ই একে অপরকে নিয়মিতভাবে চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
সংস্থাটির মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, নিহতদের মধ্যে ৯ বছর বয়সী শিশু সালেহ বদউই রয়েছে। গাজা সিটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেইতুন এলাকায় ইসরাইলি গুলিতে আহত হওয়ার পর তাকে আল-মা’মাদানি হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরো জানান, গাজার উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়া এলাকায় একটি স্কুলের কাছে ড্রোন হামলায় দুই ভাই নিহত হয়। একই দিনে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসের কাছে ৩৮ বছর বয়সী মোহসিন ওদা আল-দাব্বারি ইসরাইলি গুলিতে নিহত হন।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, বৃহস্পতিবার বেইত লাহিয়ায় তারা দু’জন ‘সন্ত্রাসী’কে হত্যা করেছে।
সেনাবাহিনীর দাবি, তারা ‘ইয়েলো লাইন’ অতিক্রম করে সেনাদের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল এবং হুমকি সৃষ্টি করছিল।
সেনাবাহিনী এএফপিকে আরো জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে নিহত শিশু ও অপর একজনের মৃত্যুর বিষয়ে তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরাইল সীমান্ত অতিক্রম করে হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধের দুই বছরের বেশি সময় পর এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে অন্তত ৭৬৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসঙ্ঘ এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, একই সময়ে তাদের পাঁচজন সেনা নিহত হয়েছেন।
তবে, গাজায় গণমাধ্যমের ওপর বিধিনিষেধ এবং সীমিত প্রবেশাধিকারের কারণে এএফপি স্বাধীনভাবে এই হতাহতের সংখ্যা যাচাই করতে পারেনি।
সূত্র : বাসস



