হরমুজ প্রণালীতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে অংশ না নিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সতর্ক করেছে ইরান। তেহরান বলেছে, এমন পদক্ষেপের ‘গুরুতর পরিণতি’ হবে।
এর আগে শুক্রবার সিউল জানায়, কৌশলগত হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রচেষ্টায় ‘অবদান’ রাখার বিষয়টি তারা বিবেচনা করছে।
দক্ষিণ কোরিয়া জানায়, নিজেদের সামরিক প্রস্তুতি ব্যাহত না হলে তারা এ পদক্ষেপ বিবেচনা করবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও ভয়ভীতির’ কাছে নতি স্বীকার না করার সতর্কতা দেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালীতে অন্য কোনো দেশের সামরিক বাহিনী মোতায়েন কিংবা অভিযানে অংশগ্রহণকে ওই আগ্রাসনের জন্য দায়ী পক্ষকে সরাসরি সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। এর গুরুতর পরিণতি হবে।’
বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই পানিপথে নৌযান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে।
ইরান বলছে, গুরুত্বপূর্ণ ওই পানিপথ দিয়ে যুদ্ধের আগের মতো অবাধ নৌচলাচল ব্যবস্থা আর ফিরবে না।
সূত্র : বাসস



