ইরানের কর্তৃপক্ষ বুধবার দাবি করেছে, গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া দেশব্যাপী বিক্ষোভে ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছে। তবে মানবাধিকার-কর্মীরা আশঙ্কা করছেন, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা সরকারের এ দাবির চেয়ে বেশি হতে পারে।
অর্থনৈতিক দাবি-দাওয়া থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দ্রুতই ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে ক্ষমতাসীন ধর্মীয় নেতৃত্ববিরোধী গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
জানুয়ারির শুরুতে কয়েকদিন ধরে ব্যাপক প্রতিবাদ ও ধর্মঘট চললেও, বর্তমানে বিক্ষোভ স্তিমিত হয়ে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভেটেরান্স অ্যান্ড মার্টার্স ফাউন্ডেশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, নিহতদের মধ্যে ২ হাজার ৪২৭ জনকে ইসলামী আইনে ‘শহীদ’ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
এই ‘শহীদদের’ মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি আকবর পুরজামশিদিয়ান বলেন, এই সংখ্যা নিরাপত্তা বাহিনীর ‘সংযম ও সহনশীলতা’র প্রমাণ।
এদিকে, ইরান সরকার এ সহিংসতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র জেনারেল আবোলফাজল শেকারচি সতর্ক করে বলেন, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে ক্ষমতাচূত করার পরিকল্পনা করা হলে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
সূত্র : বাসস



