গাজা উপত্যকার উত্তর এবং দক্ষিণ উভয় অংশেই ইসরাইলি হামলা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী প্রথমে হাজার হাজার পরিবারকে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপর ওই এলাকাগুলোতে ব্যাপকভাবে আক্রমণ চালাতে থাকে।
যেসব মানুষ স্থানচ্যুতির নির্দেশের পরেও ঘর ছাড়েনি, তারা অবাধ্যতার কারণে নয়, বরং নিরাপদ এলাকাগুলোর বিষয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর অসততার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অনেকের বিশ্বাস, তারা যদি ঘর ছেড়ে নতুন এলাকায় যায়, তবে সেখানে গিয়েও আক্রমণের মুখে পড়বে। বাস্তবে এমন ঘটনাও ঘটেছে, যার একটি উদাহরণ আল-মাওয়াসি।
বর্তমানে সেনাবাহিনী ভারী কামান ও যুদ্ধবিমানের সাহায্যে গাজার উত্তর অংশে ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির মাধ্যমে পরিষ্কারের’ কৌশল গ্রহণ করেছে। এই কৌশলের অংশ হিসেবে বিস্ফোরক ফেলে মানুষকে ঘরবাড়ি থেকে সরানো হচ্ছে। এর ফলে স্পষ্ট প্রতীয়মান হচ্ছে- মানুষ এখন ঘর ছেড়ে না যাওয়ার জন্য শাস্তি পাচ্ছে।
এমনকি গাজার মধ্যাঞ্চল, যেখানে বর্তমানে আন্তর্জাতিক সাহায্যের কারণে অধিকাংশ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে, সেখানেও নিরলসভাবে আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী।
সূত্র : আল জাজিরা



