গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন প্রস্তাব পেয়েছে হামাস : ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা

হামাস জানায়, তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রোতে রয়েছে। দলটি গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিসরের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা |সংগৃহীত

মিসরের কায়রোতে অবস্থানরত হামাসের আলোচকরা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে একটি নতুন প্রস্তাব পেয়েছেন। এ প্রস্তাবে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি এবং দুই ধাপে পণবন্দীর মুক্তির পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) ফিলিস্তিনের এক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গোপনীয়তা রক্ষার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, এই প্রস্তাবটি একটি কাঠামোগত চুক্তি। যা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার সূচনা করবে। তিনি আরো বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের দেয়া এই প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য হামাস তাদের নেতাদের সাথে এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর নেতাদের সাথে পরামর্শ করবে।

এর আগে, গত সপ্তাহে হামাস জানায়, তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রোতে রয়েছে। দলটি গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিসরের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করছে। গাজা যুদ্ধ এখন ২৩তম মাসে প্রবেশ করেছে।

কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মিসরও ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতায় জড়িত। তবে এ বছরের শুরুর দিকে স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পর থেকে পরববর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি।

মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি সোমবার গাজার রাফাহ সীমান্ত পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, ‘আমরা যখন এখানে কথা বলছি, তখন ফিলিস্তিনি ও কাতারি প্রতিনিধিরা মিসরে অবস্থান করছেন এবং তারা পদ্ধতিগত হত্যাকাণ্ড ও অনাহার বন্ধে প্রচেষ্টা জোরদার করছেন।’

গত সপ্তাহে আবদেলাত্তি বলেন, কায়রো কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মিলে একটি ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি করার জন্য কাজ করছে। এর আওতায় ‘কিছু পণবন্দী এবং কিছু ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয়া হবে এবং কোনো বাধা ছাড়া গাজায় মানবিক ও চিকিৎসা সহায়তা চালু হবে’।

গত মাসে কাতারের রাজধানী দোহায় টানা দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা আলোচনায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

সূত্র : বাসস