ইরান ও হিজবুল্লাহর একের পর এক সমন্বিত হামলায় রীতিমতো কেঁপে উঠেছে অধিকৃত ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড। সোমবার (২২ মার্চ) রাতে ইসরাইলজুড়ে একটানা সাইরেনের শব্দ আর ক্ষেপণাস্ত্রের গর্জনে স্থানীয় বাসিন্দাদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।
ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অর্থাৎ ‘এয়ার ডিফেন্স’ আবারো বড় ধরনের ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরাইলের প্রতিরক্ষা দেয়াল ভেদ করে একের পর এক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে অধিকৃত হাইফা শহরের দক্ষিণে ‘নেশার’ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতের ছবি ও ভিডিও সামনে এসেছে, যা ওই অঞ্চলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিকে তুলে ধরেছে।
হামলার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে হাইফা, অধিকৃত জেরুজালেম এবং ফিলিস্তিনের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বাজতে থাকে।
গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে উত্তর ইসরাইলের অন্তত ১৮০টি স্থানে একযোগে সাইরেন বেজে ওঠে, যা পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
অন্যদিকে, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও বসে নেই; তারা উত্তর ইসরাইলের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে একের পর এক রকেট বৃষ্টি চালিয়েছে। ইরান ও হিজবুল্লাহর এই সমন্বিত এবং সুপরিকল্পিত অভিযান আবারো প্রমাণ করে দিলো যে, ইসরাইলের আকাশসীমা এখনো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে প্রায় পুরোপুরি অরক্ষিত। অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যেভাবে একের পর এক লক্ষ্যবস্তুতে আছড়ে পড়ছে, তাতে ইসরাইলের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি



