বড় ধরনের চিকিৎসা বিপর্যয়ে পড়েছে গাজা উপত্যকা। চিকিৎসাসামগ্রীর অভাবে এখন আহত ও অসুস্থদের অঙ্গচ্ছেদ ছাড়া বিকল্প পথ্য দিতে পারছেন না চিকিৎসকরা।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ড. মুনির আল বারস।
তিনি বলেন, গাজা উপত্যকা এখন বড় ধরনের চিকিৎসা বিপর্যয়ের শিকার। দখলদার শক্তি উপত্যকায় জীবাণু প্রতিরোধী অ্যান্টিবায়োটিক ও আবশ্যকীয় চিকিৎসাসামগ্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পর এই বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়। এতে হাজার হাজার অসুস্থ ও আহতদের জীবন অনিশ্চিয়তার মধ্যে পড়েছে।
আল বরস বলেন, গাজার আহতদেরকে এখন কেবল দখলদার বুলেটই হত্যা করে না। বরং অ্যান্টিবায়োটিকের অভাবও তাদের হত্যা করছে। ফলে এখন চিকিৎসকদের সামনে রোগীদের অঙ্গ কেটে ফেলা ছাড়া আর বিকল্প পথ থাকে না।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালক এক এক্সবার্তায় বলেন, আহতদের ক্ষতস্থানে যেসব জীবাণু দেখা যায়, তাতে চিকিৎসক বাধ্য হন যেকোনো একটি পথ অবলম্বনের। হয়তো তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে হয়। অন্যথায় তার অঙ্গ কেটে ফেলতে হয়।
এ সময় ক্ষেদ প্রকাশ করে তিনি বলেন, তবে অঙ্গ কর্তনই কি গাজাবাসীর শেষ ভরসা হয়ে দাঁড়ালো। এ সময় তিনি গাজার চিকিৎসকদের করুণ অবস্থার বর্ণনা দেন যে তাদেরকে এখন প্রতিদিনই কারো না কারো হাত বা পা কেটে ফেলতে হচ্ছে। দখলদার শক্তি এখন কেবল নিয়মিত হামলাই চালিয়ে যাচ্ছে না। বরং অসুস্থদেরকে প্রয়োজনীয় ওষুধ থেকেও বঞ্চিত করছে। যাতে তারা দরকারি অঙ্গগুলো হারিয়ে ফেলছেন।
সূত্র : আল জাজিরা



