গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল গণহত্যা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসঙ্ঘের একটি তদন্ত কমিশন।
নতুন একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে হামাসের সাথে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে কোনো সঙ্ঘাত বা যুদ্ধে যে কর্মকাণ্ডগুলো করলে তা গণহত্যা বলে গণ্য হয়, গাজার ক্ষেত্রে এমন পাঁচটি কাজের চারটিই করেছে ইসরাইল।
একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা করা, তাদের গুরুতর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করা, ইচ্ছাকৃতভাবে গোষ্ঠীটিকে ধ্বংস করার জন্য পরিকল্পিত পরিস্থিতি তৈরি করা এবং জন্ম রোধ করা। এর প্রতিটি ইসরাইল, গাজায় করেছে বলে দাবি করা হয়েছে জাতিসঙ্ঘের ওই প্রতিবেদনে।
এমনকি ইসরাইলের নেতাদের বিবৃতি এবং তাদের সেনাবাহিনীর আচরণের ধরনকে গণহত্যার প্রমাণ হিসেবেও উল্লেখ করেছে।
যদিও এই প্রতিবেদন স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা এটিকে ‘বিকৃত ও মিথ্যা’ বলে নিন্দা জানিয়েছে।
ইসরাইলের এক মুখপাত্র জাতিঙ্ঘের তদন্ত কমিশনের তিন বিশেষজ্ঞকে ‘হামাসের প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করা এবং ‘সম্পূর্ণরূপে হামাসের মিথ্যাচারের উপর নির্ভর করার’ অভিযোগ করেছেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজায় আগ্রাসন শুরু করে। অঞ্চলটির হামাস-পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, তখন থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় প্রায় ৬৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। গাজার জনসংখ্যার বেশিরভাগই বাস্তুচ্যুত হয়েছে; ৯০ শতাংশেরও বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
এছাড়া তীব্র খাদ্য সঙ্কটে গাজায় দুর্ভিক্ষ চলছে বলেও উল্লেখ করেছেন জাতিসঙ্ঘের খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র : বিবিসি



