হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী ট্যাঙ্কার পাহারা দিতে কতটুকু প্রস্তুত মার্কিন নৌবাহিনী

হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করে যে, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনো ট্যাঙ্কার পাহারা দিয়ে নিয়ে যায়নি। এরপর এই খবরটি ছড়িয়ে পড়লে তেলের দাম আবারো বেড়ে যায়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
হরমুজ প্রণালীতে তেলের ট্যাঙ্কার
হরমুজ প্রণালীতে তেলের ট্যাঙ্কার |ফাইল ছবি

মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এখনো প্রস্তুত নয় দেশটির নৌবহর।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, মার্কিন নৌবাহিনী সফলভাবে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারকে পাহারা দিয়ে নিয়ে গেছে।

ওই খবরের পর তেলের দাম কমে গিয়েছিল। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয় এবং হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করে যে, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনো ট্যাঙ্কার পাহারা দিয়ে নিয়ে যায়নি। এরপর এই খবরটি ছড়িয়ে পড়লে তেলের দাম আবারো বেড়ে যায়।

বৃহস্পতিবার সিএনবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্রিস রাইট বলেন, ‘এটি শিগগিরই ঘটবে, কিন্তু এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। আমরা প্রস্তুত নই। আমাদের সকল সামরিক শক্তি এখন ইরানের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা এবং তাদের সামরিক সরঞ্জাম তৈরির শিল্প ধ্বংস করার দিকে মনোনিবেশ করছে।’

ইরান যেন ক্ষমা চায়, দাবি থাইল্যান্ডের

থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে হামলার শিকার হওয়ার পর দেশটির সরকার ইরানের কাছে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা দাবি করেছে।

এর আগে, থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এই হামলা এবং জাহাজের ক্ষয়ক্ষতির পরিস্থিতির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে।

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) নিশ্চিত করেছে, ‘সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পর’ জাহাজটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানি সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করতে চায়, তাদের অবশ্যই ইরানের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।

সূত্র : বিবিসি