হরমুজ প্রণালী থেকে টোলের প্রথম অর্থ পেল ইরান

ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি বাবেই জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলা জাহাজের ওপর টোল বা রাজস্ব আরোপের পর প্রথম সংগৃহীত অর্থ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা পড়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
হরমুজ প্রণালীতে চলা জাহাজ
হরমুজ প্রণালীতে চলা জাহাজ |সংগৃহীত

ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি বাবেই জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলা জাহাজের ওপর টোল বা রাজস্ব আরোপের পর প্রথম সংগৃহীত অর্থ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা পড়েছে।

তাসনিম নিউজ অ্যাজেন্সিতে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এ রাজস্ব কিভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে বা কারা এ টোল পরিশোধ করেছে সে সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।

চলমান যুদ্ধবিরতির আগে তেহরান জানিয়েছিল যে, তারা ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ দেশগুলো বাদে অন্যদের জন্য হরমুজ প্রণালীতে যাতায়াত সীমিত করেছে এবং হরমুজ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

তবে সেসময় ইরান যাতায়াতের জন্য ঠিক কী পরিমাণ অর্থ ফি হিসেবে নিচ্ছে, বা আদৌ কোনো ফি নিচ্ছে কি-না, সে নিয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

মার্চের শেষের দিকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার জন্য তেহরান জাহাজপ্রতি ২০ লাখ ডলার বা দেড় মিলিয়ন পাউন্ড ফি নিচ্ছে এমন খবর প্রকাশিত হলে ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সে দাবি অস্বীকার করেছিল।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) ইরানের আরেকজন ঊর্ধ্বতন সংসদ সদস্য আলিরেজা সালিমি তাসনিম নিউজকে বলেছেন, ‘আমি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পেরেছি, ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ফি সংগ্রহ করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিটি জাহাজ থেকে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ এবং ফি নির্ভর করে জাহাজের ধরন, বহন করা পণ্যের পরিমাণ এবং ওই জাহাজ ইরানের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তার ওপর। এই ফি কিভাবে এবং কী পরিমাণে সংগ্রহ করা হবে তা ইরান নির্ধারণ করে। এসব নিয়ম আমরাই ঠিক করি।’

সূত্র: বিবিসি