অস্ট্রেলিয়ার ১ লাখ ১৫ হাজার নাগরিক মধ্যপ্রাচ্যে আটকা

বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হলে অঞ্চলটিতে থাকা অস্ট্রেলিয়ানদের দেশে ফিরিয়ে আনা সহজ হবে বলে দেশটির সরকার আশা করছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরানের ওপর হামলার জেরে সৃষ্ট সঙ্ঘাতে আকাশপথ বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত অস্ট্রেলিয়ার প্রায় এক লাখ ১৫ হাজার নাগরিক দেশটিতে ফিরতে পারছেন না।

অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষ এ কথা জানিয়েছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হলে অঞ্চলটিতে থাকা অস্ট্রেলিয়ানদের দেশে ফিরিয়ে আনা সহজ হবে বলে দেশটির সরকার আশা করছে।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং সাংবাদিকদের বলেন, ‘অঞ্চলটিতে আমাদের প্রায় এক লাখ ১৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান রয়েছেন। এটি একটি বড় সংখ্যা, আর তাদের দেশে ফেরানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হবে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়া। কারণ সেটিই বৃহৎ পরিসরে সম্ভব।’

তিনি আরো বলেন, ‘ওই অঞ্চলে সঙ্ঘাত চলছে। আমরা বিভিন্ন স্থানে প্রাণহানির ঘটনা দেখেছি এবং আকাশসীমা বন্ধ রয়েছে। ফলে অস্ট্রেলিয়ান ফ্লাইট হোক বা বাণিজ্যিক ফ্লাইট, কোনোটিই পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।’

নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে কি-না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার আগে দেখতে চায়, বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হয় কি-না এবং এ বিষয়ে তারা বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ রাখছে।

পেনি ওং আরো জানান, ইসরাইল, ইরান, কাতার বা সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা ও তাদের নিকট আত্মীয়দের নিবন্ধনের জন্য সরকার একটি অনলাইন সঙ্কট পোর্টাল চালু করেছে।

খামেনি হত্যা প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পদক্ষেপ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেয়ার দায়িত্ব তাদেরই।

তিনি আরো বলেন, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর জন্য কেউ শোক করছে না। তিনি এমন এক শাসনব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা ক্ষমতা ধরে রাখতে নিজ দেশের জনগণকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

সূত্র: বাসস