ইরানের হত্যার হুমকি, প্রাণের শঙ্কায় গোপন বিমানে তুরস্ক ছেড়েছিলেন ট্রাম্প

খাবার সরবরাহের একটি ট্রাকে করে লোক চক্ষুর অন্তরালে ট্রাম্পকে ছোট আকারের মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজ সি-৩২এতে সরিয়ে নেয়া হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিমান
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিমান |সংগৃহীত

ইরানের সম্ভাব্য হত্যাচেষ্টার হুমকিকে কেন্দ্র করে গত মাসে তুরস্ক থেকে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় হোয়াইট হাউস প্রকাশ্যে জানায়, তিনি এয়ার ফোর্স ওয়ানেই আছেন।

সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশিত এ তথ্যের বরাত দিয়ে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনদোলু মঙ্গলবার (১১ জুলাই) খবর দিয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, ৭-৮ জুলাই ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে আঙ্কারায় ছিলেন ট্রাম্প। টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে তাকে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের বিশাল উড়োজাহাজে উঠতে দেখা যায়। কিন্তু কয়েক মিনিট পর বিমানবন্দরের খাবার সরবরাহের একটি ট্রাকে করে লোক চক্ষুর অন্তরালে ট্রাম্পকে ছোট আকারের মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজ সি-৩২এতে সরিয়ে নেয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা ও ওই অভিযানের সাথে পরিচিত কয়েকজনের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের অবস্থান জনসাধারণ, সাংবাদিক এমনকি হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মকর্তার কাছেও গোপন রাখতেই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল।

ট্রাম্প তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের সাথে বৈঠক করার সময়ই তার বিরুদ্ধে কথিত হুমকির বিষয়টি সামনে আসে। এর আগের রাতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর ইরানে আবারো হামলা শুরু করে মার্কিন বাহিনী।

হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চিয়াং এ ব্যবস্থা নেয়ার পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। তিনি বলেন, কাতারের উপহার দেয়া উড়োজাহাজটি বর্তমানে এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এতে 'উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা' নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, 'মার্কিন অনেক শত্রু সম্প্রতি প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এসব হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা সব উপায়ই ওয়াশিংটন কাজে লাগায়।'