পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের জমি দখল করে নতুন বসতি ইসরাইলের

ফিলিস্তিনের ফিলিস্তিনের বসতি স্থাপন ও প্রাচীর-প্রতিরোধ বিষয়ক কমিশনের বরাত দিয়ে ওয়াফা জানায়, ইসরাইলের তথাকথিত সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ‘গিভাত হার’এল’ আউটপোস্টের প্রশাসনিক সীমানা অনুমোদন করেছে। এর ফলে আউটপোস্টটি পৃথক বসতি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পাশাপাশি নিজস্ব পরিকল্পনা ও সম্প্রসারণের ক্ষমতা পাবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের সালফিত প্রদেশে ৫৫০ একর ফিলিস্তিনি জমি দখল করে নিয়েছে ইসরাইল। সামরিক কাজে ব্যবহারের কথা বলে উত্তরাঞ্চলীয় মারদা শহরের এসব জমি দখলে নেয়ার পর নতুন একটি ইহুদি বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে দেশটি।

মূলত পশ্চিম তীরের রামাল্লার উত্তরে সিনজিলের কাছে একটি ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী চৌকিকে (আউটপোস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে বৈধতা দেয়ার এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা ওয়াফার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনের ফিলিস্তিনের বসতি স্থাপন ও প্রাচীর-প্রতিরোধ বিষয়ক কমিশনের বরাত দিয়ে ওয়াফা জানায়, ইসরাইলের তথাকথিত সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ‘গিভাত হার’এল’ আউটপোস্টের প্রশাসনিক সীমানা অনুমোদন করেছে। এর ফলে আউটপোস্টটি পৃথক বসতি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পাশাপাশি নিজস্ব পরিকল্পনা ও সম্প্রসারণের ক্ষমতা পাবে।

২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইসরাইলি সরকার গিভাত হার’এল ও গিভাত হারো’এহ—দুটি আউটপোস্টের মর্যাদা নিয়মিত করার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছিল, নতুন সিদ্ধান্তটি তারই অংশ।

কমিশনের মতে, নতুন পদক্ষেপের লক্ষ্য সিনজিল ও আল-লুব্বান আশ-শারকিয়ার আশপাশে ইসরাইলি বসতিগুলোর একটি ধারাবাহিক বলয় গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে স্থানীয় আউটপোস্টগুলোকে বড় ইসরাইলি বসতি শিলো ও মালে আদুমিমের সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের বিরোধিতা করে আসছে। তাদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল ও ভবিষ্যৎ স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরো সংকুচিত করছে।

সূত্র : আল জাজিরা