ইসরাইলি বাহিনী গতকাল সোমবার জানিয়েছে, গাজায় সবশেষ পণবন্দী থাকা পুলিশ কর্মকর্তা রান গিভিলির লাশ দেশে তারা ফিরিয়ে নিয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলার পর ২৫১ জনকে গাজায় পণবন্দী করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে যুদ্ধ চলাকালে যুদ্ধবিরতি ও বন্দী-বিনিময় চুক্তির ধারাবাহিকতা, পাশাপাশি সামরিক উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়ে পড়ে।
গত ১০ অক্টোবরে কার্যকর হওয়া মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে গাজায় বন্দী হস্তান্তরের ঘটনাগুলো ছিল চলমান সংঘাত বন্ধের অংশ। যা দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ধ্বংসলীলা অবসানের লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল। এই চুক্তির মাধ্যমে বন্দী মুক্তি এবং একটি স্থায়ী শান্তির পথ তৈরির প্রচেষ্টা করা হয়।
সবশেষ এই পণবন্দীর লাশ উদ্ধারের ফলে গাজা ও মিসরের মধ্যকার প্রবেশদ্বার ‘রাফা ক্রসিং’ সীমিত পরিসরে পুনরায় খুলে দেয়ার পথ সুগম হল বলে মনে করা হচ্ছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সব পণবন্দীকে উদ্ধার করা হলে ইসরাইলি তল্লাশির শর্তে রাফা প্রবেশদ্বার পুনরায় চালু করা হবে।
গাজার কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার বাবা ইৎজিক গিভিলি তার ছেলের কফিনের পাশে ছিলেন। নেতানিয়াহু গিভিলিকে ‘ইসরাইলের একজন নায়ক’ হিসেবে প্রশংসা করেন।
হামাস জানিয়েছে, তারা গিভিলির লাশের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করেছে। সংগঠনের মুখপাত্র হাজেম কাসেম সোমবার বলেন, তার লাশ উদ্ধার হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্তের প্রতি হামাসের অঙ্গীকারেরই প্রমাণ।
সূত্র : বাসস



