যুদ্ধবিরতির পর থেকে গাজায় ৯৮৬ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশ করেছে

চুক্তি অনুযায়ী,গাজায় দৈনিক ৬০০ ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের কথা। কিন্তু যুদ্ধবিরতির পর থেকে সেখানে এখন পর্যন্ত মাত্র ৯৮৬টি ট্রাক প্রবেশ করেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে মাত্র ৯৮৬টি মানবিক সহায়তাবহনকারী ট্রাক প্রবেশ করেছে। যা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে সম্মত হওয়া সংখ্যার তুলনায় অনেক কম। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) গাজা সরকারের মিডিয়া অফিস এ তথ্য জানিয়েছে।

মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে মোট ছয় হাজার ৬০০ ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশের কথা ছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় প্রতিদিন গড়ে ৮৯টির ও কম ট্রাক প্রবেশ করেছে। অথচ চুক্তি অনুযায়ী, দৈনিক ৬০০ ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের কথা।

বেকারি, হাসপাতাল, জেনারেটর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা পরিচালনার জন্য রান্নার গ্যাস বহনকারী ১৪টি ট্রাক ও সৌর জ্বালানি বোঝাই ২৮টি ট্রাক অবরুদ্ধ উপত্যকায় প্রবেশ করেছে।

গাজার সরকার জোর দিয়ে বলেছে, সীমিত পরিমাণ ত্রাণ গাজার প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো মর্যাদার সাথে নিশ্চিত করার জন্য খাদ্য, চিকিৎসা সরবরাহ, ত্রাণ সামগ্রী, জ্বালানি ও রান্নার গ্যাসসহ প্রতিদিন কমপক্ষে ৬০০ ত্রাণ ট্রাকের তাৎক্ষণিক ও ধারাবাহিক প্রবেশের প্রয়োজন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার ভিত্তিতে গাজায় ১০ অক্টোবর থেকে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। প্রথম পর্যায়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিনিময়ে ইসরাইলি পণবন্দীদের মুক্তি অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরিকল্পনায় গাজার পুনর্নির্মাণ ও হামাস ছাড়াই একটি নতুন শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথাও বলা হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধে ৬৮ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং এক লাখ ৭০ হাজার ২০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

সূত্র : আনাদোলু অ্যাজেন্সি