আঞ্চলিক পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং হরমুজ প্রণালী ব্যবস্থাপনার কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ওমান সরকারের সাথে জরুরি বৈঠকে করতে একটি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদলসহ মাসকাটে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানের ইংরেজি চ্যানেল প্রেস টিভি আজ শনিবার জানিয়েছে, সমুদ্রপথে সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে তেহরান ও মাসকাটের মধ্যে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবে এই বৈঠক হবে।
এদিকে, ওমানি কর্মকর্তারা আজ শনিবার সকালে আরগচিকে স্বাগত জানান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই শুক্রবার জানান, হরমুজ প্রণালী নিয়ে ওমানের সাথে গত দুই মাস ধরে চলা ধারাবাহিক আলোচনার সূত্র ধরেই এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি এই নৌপথটিকে সাম্প্রতিক যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অন্যতম প্রধান একটি বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
বাকেই জোর দিয়ে বলেন, ওই চুক্তি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য নৌ-পরিসেবা দেয়াসহ সব ধরনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে ইরান স্পষ্ট দায়িত্ব নিয়েছে এবং তেহরান এই প্রতিশ্রুতি পূরণে সম্পূর্ণ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সমঝোতা স্মারক অনুসারে, এই ব্যবস্থাগুলো বাস্তবায়নের জন্য ইরান ও ওমান নিজেদের মধ্যে নিবিড় সমন্বয় গড়ে তুলতে সম্মত হয়েছে।
যুদ্ধ শেষ করার উদ্দেশ্যে গৃহীত ইসলামাবাদ স্মারক বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় গত ১ জুলাই দোহার একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নিয়েছিল ইরানের একটি কারিগরি ও বিশেষজ্ঞ দল। দেশটির আন্তর্জাতিক ও আইন বিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদির নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধিদলটি কাতারি ও পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের সাথে এই বৈঠক করে। ঠিক একই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদলও দোহায় অবস্থান করছিল। দেশটির প্রেসিডেন্ট দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের নেতৃত্বে মার্কিন প্রতিনিধিদলটি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আস সানি এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আস সানির সাথে আলাদা আলাদা বৈঠক করেছে।



