ইউরোপে মসজিদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য ইসরাইলের

প্রতিবাদ মার্কিন মুসলিম সংগঠনের

বিভিন্ন দেশের সরকার, মানবাধিকার সংস্থা ও ধর্মীয় সংস্থাগুলোকে ধর্মীয় বিদ্বেষের এমন উস্কানির তীব্র নিন্দা করার আহ্বান জানিয়েছে সিএআইআর। সংগঠনটি মনে করে- সকলের নিরবতার কারণেই এই বিবৃতিগুলো আসছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইউরোপে মসজিদের ব্যাপক বৃদ্ধিকে ‘প্রকৃত উপনিবেশবাদ’ আখ্যা দিয়েছে ইসরাইল
ইউরোপে মসজিদের ব্যাপক বৃদ্ধিকে ‘প্রকৃত উপনিবেশবাদ’ আখ্যা দিয়েছে ইসরাইল |প্রতীকী ছবি

১৯৮০ সালে ইউরোপে মাত্র ১০০টি মসজিদ ছিল এবং ২০২৫ সালে এসে মহাদেশটিতে মসজিদের সংখ্যা ২০ হাজার বলে দাবি করেছে ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ‘ইসরাইল বিল-আরাবিয়া’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্ট এবং মসজিদের এই ব্যাপক বৃদ্ধি নিয়ে সেখানে বিরূপ মন্তব্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) আলজাজিরা মুবাশির এক্সের ওই পোস্টটি উদ্ধৃত করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে দেখা গেছে- মসজিদের এমন ব্যাপক বৃদ্ধিকে অ্যাকাউন্টটি ‘প্রকৃত উপনিবেশবাদ’ আখ্যা দিয়েছে।

চ্যানেলটি আরো দাবি করেছে, কিছু কিছু মসজিদ ‘পঞ্চম বাহিনী’র প্রতিনিধিত্ব করে ঘৃণা ও উস্কানি ছড়িয়ে দেয়। এজন্য ইউরোপ থেকে এগুলোর অপসারণ করা দরকার। এগুলো এমন সময় ঘটছে, যখন ইউরোপ উদাসীন ও নিজের ক্ষতি সম্পর্কে চিন্তা করছে না।

এ ছাড়াও মসজিদে ইসলামী শিক্ষা নিয়েও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে ওই চ্যানেলটি। দখলদার ও অবৈধ রাষ্ট্রের একটি মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে এমন ধৃষ্টতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মার্কিন মুসলিমদের সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর)।

সংগঠনটির দাবি- ইসরাইলের এই বক্তব্য মুসলিম গণহত্যাকে উৎসাহিত করার একটি বার্তা। সংস্থাটি গুরুত্বারোপ করে বলেছে, এক্স পোস্টটির বিষয়বস্তু আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ইসরাইলের যুদ্ধ কেবল ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে নয়; বরং বিশ্বব্যাপী ইসলাম এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে।

বিভিন্ন দেশের সরকার, মানবাধিকার সংস্থা ও ধর্মীয় সংস্থাগুলোকে ধর্মীয় বিদ্বেষের এমন উস্কানির তীব্র নিন্দা করার আহ্বান জানিয়েছে সিএআইআর। সংগঠনটি মনে করে- সকলের নিরবতার কারণেই এই বিবৃতিগুলো আসছে।

সূত্র : আলজাজিরা মুবাশির