মিসাইল ও প্রতিরক্ষা নিয়ে কখনো আলোচনা নয় : ইরান

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস গত সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরানকে চুক্তি করতে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির শর্ত হলো— ইরানের মিসাইলের আঘাত হানার দূরত্ব কমাতে হবে এবং ইউরেনিয়ামের মজুদ শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
আঙ্কারায় তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান (ডানে) এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
আঙ্কারায় তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান (ডানে) এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করতে রাজি আছি। কিন্তু সেটি হতে হবে পারস্পরিক স্বার্থ, সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। তবে আলোচনায় কখনো মিসাইল ও প্রতিরক্ষার বিষয়টি রাখা হবে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) তুরস্কে সফরে যান ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী । সেখানে তার্কিস পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠক হয়। এরপর তারা সংবাদ সম্মেলন করেন।

আরাগচি বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই ইরানের মিসাইল ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কখনো আলোচনা হবে না।”

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস গত সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরানকে চুক্তি করতে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির শর্ত হলো— ইরানের মিসাইলের আঘাত হানার দূরত্ব কমাতে হবে এবং ইউরেনিয়ামের মজুদ শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে।

তুরস্কের আঙ্কারা-ভিত্তিক ইরান বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র 'আইরাম'-এর পরিচালক সারহান আফাকান বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যুসহ অন্যান্য অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে এখন কোনো চুক্তিতে আসা সম্ভবত "অসম্ভব" হবে।

তিনি আরো বলেন, “আপাতত ব্যালিস্টিক মিসাইল বা অন্যান্য মিসাইল কর্মসূচি নিয়ে ইরান কোনো আপস করবে না, কারণ এটিই ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তি।”

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কার মধ্যে তুরস্ক সফরে গেছেন আব্বাস আরাগচি। তুরস্ক আজ নতুন করে বার্তা দিয়েছে তারা এ অঞ্চলে কোনো ধরনের যুদ্ধ চায় না।

সূত্র: তার্কিস মিনিট, রয়টার্স।