পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতির ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা

‘জাতিগত নিধন’ চলছে বলে বর্ণনা

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড সংসদে বলেন, ‘পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের চালানো হামলার মাধ্যমে ‘এথনিক ক্লিনজিং’ বা ‘জাতিগত নিধন’ চলছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি। ছবিটি তোলা হয়েছে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি। ছবিটি তোলা হয়েছে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে |এএফপি

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানি ও সংশ্লিষ্ট কিছু সেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য।

একইসাথে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতাকে ‘জাতিগত নিধন’ বলেও আখ্যা দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড সংসদে বলেন, ‘পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের চালানো হামলার মাধ্যমে ‘এথনিক ক্লিনজিং’ বা ‘জাতিগত নিধন’ চলছে।

এ ক্ষেত্রে ইসরাইল সরকার ‘চোখ বন্ধ করে আছে’ বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আইনে এসব বসতি অবৈধ পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাজ্যের সাথে যোগ দেবে ফ্রান্স ও কানাডা।

মিলিব্যান্ড জানান, পরে আরো নয়টি দেশ একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেবে। দেশগুলো হলো—ডেনমার্ক, স্পেন, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও সুইডেন।

এই নিষেধাজ্ঞা এমন এক সময়ে আরোপ করা হয়েছে যখন ইসরাইল অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১ হাজার ২০০টি নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা করছে এবং এ বছর ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে।

যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে ‘গুরুতর ভুল’ হিসেবে মন্তব্য করেন।

এদিকে, ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বিবিসিকে বলেছেন, এই নিষেধাজ্ঞার কারণে যুক্তরাজ্যের কিছু প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।

সূত্র : বিবিসি