‘মানবতার খাতিরে গাজা দখলের সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকা উচিত’

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, গাজা ফিলিস্তিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা গাজা দখলের পরিকল্পনায় সম্মতি জানালেও সে দেশের বিরোধী দলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ বলেছেন, ‘এক বিপর্যয় আরো অনেক বিপর্যয় ডেকে আনবে।’

ইয়ার লাপিদ বলেছেন, ‘এক বিপর্যয় আরো অনেক বিপর্যয় ডেকে আনবে। হামাসের কাছে পণবন্দী ইসরাইলীদের পরিবার, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও নেতানিয়াহু সরকারের এ সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধী।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার বলেছেন, ইসরাইলের এবার হামলার তীব্রতা কমানো প্রয়োজন। সম্প্রসারণ অভিযান বন্ধ করা প্রয়োজন। এক বিবৃতিতে স্টার্মার বলেন, ‘গাজায় হামলা তীব্র করা ইসরাইল সরকারের বড় ভুল। এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, ঠিক এই সময়েই যুক্তরাষ্ট্র গাজা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে।

গত সেপ্টেম্বরে স্টার্মার জানিয়েছিলেন, ইসরাইল যদি গাজায় ত্রাণ যথাযথভাবে প্রবেশ করতে না দেয়, এবং যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হয়, তবে ফিলিস্তিনকে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে ব্রিটেন।

ইসরাইলের গাজা দখলের পরিকল্পনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়াও। সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং-এর মতে, ‘মানবতার খাতিরে গাজা দখলের সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকা উচিত নেতানিয়াহুর।’

শুক্রবার গাজা দখলের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে চীনও। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, গাজা ফিলিস্তিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।