গাজায় মার্চ থেকে ৬ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত : জাতিসঙ্ঘ

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ পুনরায় একটি বাস্তুচ্যুতির নির্দেশ জারি করেছে। এর আওতায় উত্তর গাজা, গাজা ও দেইর আল-বালাহর ৫৪টি এলাকা রয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা |সংগৃহীত

জাতিসঙ্ঘ জানিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর জারি করা বাস্তুচ্যুতির আদেশে গাজা উপত্যকায় ছয় লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি ঘরছাড়া হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) জাতিসঙ্ঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মানবিক বিষয়ক সমন্বয় অফিসের (ওসিএইচএ) উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘গতকাল ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ পুনরায় একটি বাস্তুচ্যুতির নির্দেশ জারি করেছে। এর আওতায় উত্তর গাজা, গাজা ও দেইর আল-বালাহর ৫৪টি এলাকা রয়েছে। এটি একই অঞ্চলের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো জারি করা আদেশ, যা গাজা উপত্যকার এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।’

জাতিসঙ্ঘের মুখপাত্র বলেন, ‘মার্চে সংঘাতের নতুন মাত্রা শুরু হওয়ার পর ইসরাইলি সেনাবাহিনী মোট ৩৫টি বাস্তুচ্যুতির নির্দেশ জারি করেছে, যার ফলে ছয় লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি গাজাবাসী আবারো বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।’

দুজারিক গাজার মানবিক পরিস্থিতির চরম অবনতির কথা জানিয়ে বলেন, ‘ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এখনো মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। গতকাল সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ের ১৬টি প্রচেষ্টার মধ্যে পাঁচটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, যার মধ্যে বিশুদ্ধ পানি পৌঁছানো, পুষ্টি সামগ্রী উদ্ধার এবং জ্বালানি সরানোর মতো জরুরি সহায়তা ছিল।’

তিনি জানান, আরো ছয়টি মিশন বাস্তবায়িত হয়নি বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ও বাতিলের কারণে। এর মধ্যে সফল হয়েছে মাত্র পাঁচটি। তবে এই মিশনগুলোও শুধুমাত্র শিশুদের পুষ্টি পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কোনো প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

সূত্র : আনাদোলু অ্যাজেন্সি