হামাসের একটি জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদল রোববার (২৩ নভেম্বর) কায়রোতে মিসরের গোয়েন্দা প্রধানের সাথে বৈঠকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছে। ইসরাইল ও হামাস উভয়ই যুদ্ধবিরতি একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে।
গত মাসে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে মধ্যস্থতা করেছে মিসর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্র।
ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা মিসরের গোয়েন্দা প্রধানের সাথে বৈঠকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে তারা অভিযোগ করেছে, ইসরাইল বারবার চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করায় এটি হুমকির মুখে পড়েছে।
হামাসের প্রতিনিধিদলে ছিলেন নির্বাসনে থাকা হামাস নেতা খলিল আল-হায়া। তিনি মধ্যস্থতাকারীদের তত্ত্বাবধানে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বন্ধ এবং এসব ঘটনা নথিবদ্ধ করতে একটি ‘স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া’ ঠিক করার আহ্বান জানান।
হামাস জানিয়েছে, তারা রাফাহ সুড়ঙ্গে অবস্থানরত হামাস যোদ্ধাদের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে সমাধান খুঁজে বের করতে মিসরের সাথে আলোচনা হয়েছে। এসব যোদ্ধার সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।
রয়টার্স এই মাসের শুরুতে জানিয়েছিল, মধ্যস্থতাকারীরা গাজার ইসরাইল-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিভিন্ন সুড়ঙ্গে আটকা পড়া হামাস যোদ্ধাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সমাধান খুঁজছেন মধ্যস্থতাকারীরা।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, শনিবার গাজায় ইসরাইলি সৈন্যদের ওপর হামাসের এক সদস্য হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী পাঁচজন সিনিয়র হামাস সদস্যকে হত্যা করেছে।
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, শনিবার ইসরাইলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন।
সূত্র : রয়টার্স



