হরমুজ প্রণালীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সশস্ত্র বাহিনীর হাতে দেয়ার প্রস্তাব ইরানি আইনপ্রণেতার

প্রণালীটি দিয়ে যাতায়াতকারী যেকোনো বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ থেকে ট্রানজিট ফি এবং বিভিন্ন সেবা মাশুল আদায়ের যাবতীয় নিয়মকানুন ও নীতি নির্ধারণের দায়িত্বও দেয়া হবে সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফকে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
্রউপগ্রহের চোখে হরমুজ প্রণলী
্রউপগ্রহের চোখে হরমুজ প্রণলী |সংগৃহীত

ইরানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, নজরদারি ও পরিদর্শন ব্যবস্থা পুরোপুরি দেশটির নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ এবং সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে আনার একটি নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রস্তাব করা হয়েছে। ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য ইব্রাহিম রেজাই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বুধবার (১৯ আগস্ট) জানিয়েছে, কৌশলগত নৌপথে জাহাজ চলাচল, ফি আদায় ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রস্তাবিত খসড়া পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যেসব জলযানকে শত্রুপক্ষের, গোয়েন্দাগিরিতে জড়িত বা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হবে, হরমুজ প্রণালীতে সেগুলোর প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হবে।

প্রস্তাবনার অধীনে, প্রণালীটি দিয়ে যাতায়াতকারী যেকোনো বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ থেকে ট্রানজিট ফি এবং বিভিন্ন সেবা মাশুল আদায়ের যাবতীয় নিয়মকানুন ও নীতি নির্ধারণের দায়িত্বও দেয়া হবে সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফকে।

ইরানি আইনপ্রণেতা রেজাই আরো স্পষ্ট করেন, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যদি ইরানের স্বার্থের কোনো ক্ষতি করা হয়, তবে তার জন্য দায়ী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হরমুজ প্রণালীকে ব্যবহার করেই পাল্টা জবাব দিতে পারবে তেহরান। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের জাহাজের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ কিংবা তাদের জলযান ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার মতো কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।