মঙ্গলবার বৈঠকে বসবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

গত কয়েকদিন ধরে হরমুজ প্রণালীতে তীব্র গোলাগুলির পর হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারের রাজধানী দোহায় দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা পরবর্তী আলোচনার জন্য বৈঠকে বসতেও সম্মত হয়েছেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা |সংগৃহীত

গত কয়েকদিন ধরে হরমুজ প্রণালীতে তীব্র গোলাগুলির পর হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারের রাজধানী দোহায় দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা পরবর্তী আলোচনার জন্য বৈঠকে বসতেও সম্মত হয়েছেন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও অ্যাক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে তেহরান এখনো এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এক শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমরা সব ধরনের সামরিক তৎপরতা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাময়িক আলোচনার স্বার্থে দুই পক্ষই আপাতত পিছু হটছে, যাতে ওই রুটে জাহাজগুলো মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক হামলার হুমকি দিলেও ইরানের কড়া হুঁশিয়ারির মুখে তারা সুর নরম করতে বাধ্য হয়।

ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সব ধরনের কূটনৈতিক আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হবে।

মাত্র ১১ দিন আগে হওয়া একটি চুক্তির শর্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভিন্ন ব্যাখ্যার কারণেই এই নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। ৬০ দিনের আলোচনার স্বার্থে করা ওই চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দেবে আর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে তাদের অবরোধ তুলে নেবে।

গত সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন দল ও ইরানি প্রতিনিধিরা দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে একটি ‘হটলাইন’ চালুর বিষয়ে একমত হয়েছিল।

কিন্তু গত শনিবার পর্যন্ত মার্কিন উদাসীনতার কারণে সেই হটলাইন চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে ইরান আবারো নিজের পানিসীমার নিরাপত্তা রক্ষায় কড়াকড়ি শুরু করে এবং ওমান সীমান্তের কাছে সন্দেহভাজন জাহাজে হামলা চালায়।

তবে মার্কিন নৌবাহিনীর নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক টাস্কফোর্স দাবি করেছে, হুমকি থাকা সত্ত্বেও গত ৭২ ঘণ্টায় ওই প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সচল রাখা হয়েছিল।

সূত্র: এনডিটিভি