সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারা দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বলেছেন, ন্যায়বিচার, স্থিতিশীলতা ও সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নের মধ্য দিয়েই দেশের ভবিষ্যৎ নির্মিত হবে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর একটি বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এ সময় তিনি দেশজুড়ে সিরীয় জনগণের ত্যাগ ও ধৈর্যের কথা স্মরণ করেন।
বার্তায় আল-শারা বলেন, “সিরীয় আরব প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এক বছর পেরিয়ে গেছে। দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে সিরীয়দের ত্যাগ ও সহনশীলতার কথা আমি স্মরণ করছি এবং এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য সৃষ্টিকর্তার সহায়তা কামনা করছি।”
তিনি বলেন, সিরিয়ার ভবিষ্যৎ সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই গড়ে উঠবে—যার ভিত্তি হবে সুদৃঢ় ন্যায়বিচার, দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন।
“আমরা সবাই মিলে এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলব, যা সিরিয়ার মর্যাদা পুনরুদ্ধার করবে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে,”—যোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি সামরিক অভিযান কমান্ড ঘোষণা দেয়, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করছেন আহমাদ আল-শারা।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বছরে তিনি সাবেক শাসনব্যবস্থার ক্ষমতাকাঠামো ভেঙে দেয়া, দেশের ভূখণ্ড ও জ্বালানি সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন। সিরীয় কর্তৃপক্ষ এ সময়কে দেশের জন্য ‘নতুন যুগের সূচনা’ হিসেবে বর্ণনা করছে—যার লক্ষ্য জাতীয় ঐক্য, পুনর্গঠন ও স্থিতিশীলতা।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি।



