ইসমাইল বাঘাই

বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের প্রধান ও মূল লালন-পালনকারী এবং মদদদাতা। তাই সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা নির্ধারণের মানদণ্ড ঠিক করার কোনো নৈতিক বা আইনগত অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের নেই।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই |সংগৃহীত

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের প্রধান ও মূল লালন-পালনকারী এবং মদদদাতা। তাই সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা নির্ধারণের মানদণ্ড ঠিক করার কোনো নৈতিক বা আইনগত অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের নেই।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, ‘৯/১১-এর বার্ষিকীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর প্রচারিত বক্তব্য মৌলিক অসংগতিতে পরিপূর্ণ। আপনি একইসাথে আগ্রাসন চালাতে, কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করতে এবং বেসামরিক মানুষকে হতাহত করতে পারেন না। আবার একচেটিয়াভাবে সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং কার সহিংসতা বৈধ তা ঠিক করার অধিকারও দাবি করতে পারেন না।’

মুখপাত্র আরো বলেন, ৯/১১-এর হামলাকারীরা ইরানি ছিল না, বরং তারাই ছিল সেইসব ব্যক্তি, যাদেরকে আগের কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই অস্ত্র দিয়েছে, সংগঠিত করেছে অথবা অন্য কোনোভাবে লালন-পালন করেছে। অথচ মার্কিন নেতৃত্বাধীন পরবর্তী তথাকথিত ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ আফগানিস্তান ও ইরাককে বহু বছরের যুদ্ধ, দখলদারিত্ব, বেসামরিক মানুষের মৃত্যু এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের দিকে ঠেলে দেয়।

তিনি বলেন, ‘এই প্রেক্ষাপটে ৯/১১-এর বার্ষিকীকে ইরানের বিরুদ্ধে একটি বেপরোয়া ও অবৈধ যুদ্ধের যৌক্তিকতা হিসেবে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ হাস্যকর।’

ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘একটি অপরাধমূলক যুদ্ধ—যার মধ্যে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের হত্যা এবং নারী ও শিশুসহ বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে—সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের ভাষায় মোড়ানো মাত্রই নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে না।’

সূত্র : পার্সটুডে