লেবাননের হামলায় আইআরজিসির সদস্যসহ ৩ জনকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের সদস্য হুসেইন মাহমুদ মারশাদ আল-জাওহরি তার গাড়িতে হামলার পর নিহত হয়েছেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চলাকালীন ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে
ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চলাকালীন ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে |সংগৃহীত

লেবাননজুড়ে ইসরাইলের চালানো হামলায় ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) একজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। পৃথক আরেকটি হামলায় হিজবুল্লাহর এক যোদ্ধাসহ আরো একজন নিহত হয়েছেন।

হিজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধবিরতি চলার মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) এসব হামলা চালানো হয়।

লেবাননের জাতীয় বার্তাসংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার হারমেল জেলার হোশ আল-সাইয়েদ আলী সড়কে একটি গাড়িতে ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, আইআরজিসির কুদস ফোর্সের একজন সদস্য হুসেইন মাহমুদ মারশাদ আল-জাওহরি দক্ষিণ লেবাননের আনসারিয়াহ এলাকায় তার গাড়িতে হামলার পর নিহত হয়েছেন। তিনি ‘সিরিয়া ও লেবানন থেকে ইসরাইল এবং তার নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের নির্দেশনায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ চালাতেন।

আইআরজিসি তাৎক্ষণিকভাবে এই অভিযোগের জবাব দেয়নি।

এনএনএ আরো জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে দক্ষিণ লেবাননের বিনতে জ্বাইল জেলার সাফাদ আল-বাতিখ শহরের প্রবেশপথে একটি ট্রাকে ইসরাইলি ড্রোন আঘাত হানে। এক পৃথক বিবৃতিতে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর এক সদস্যকে হত্যা করেছে।

২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হলেও প্রায় প্রতিদিনই লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। জাতিসঙ্ঘের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরাইলের হামলায় লেবাননে অন্তত ১২৭ জন বেসামরিক নাগরিকসহ ৩০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

সূত্র : আল জাজিরা