যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সবচাইতে ভয়ঙ্কর এবং ভারী হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি জানায়, তাদের ‘ট্রু প্রমিজ ৪’ অভিযানের ৩৭ নম্বর ঢেউ ছিল এযাবৎকালের সবচাইতে শক্তিশালী অপারেশন। পবিত্র লাইলাতুল কদর এবং হযরত আলি রা.-এর শাহাদাত বার্ষিকীর রাতে ‘ইয়া আলী ইবনে আবি তালিব’ স্লোগান দিয়ে এই হামলা শুরু হয়।
টানা তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে এই ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টি। এবার আর যে সে মিসাইল নয়, বরং সবচাইতে ভারী ‘খোররামশাহর’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মার্কিন আর ইহুদিবাদী ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক আঘাত হানা হয়েছে।
এই ভয়াবহ হামলায় তেল আবিবের দক্ষিণে থাকা হা’য়েলা স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন সেন্টার দ্বিতীয়বারের মতো একদম গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বাদ যায়নি বীরশেবা, পশ্চিম জেরুসালেম আর হাইফার সামরিক কেন্দ্রগুলোও।
এছাড়া, এরবিলে থাকা মার্কিন ঘাঁটি আর ওই অঞ্চলের পঞ্চম মেরিন বেসেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফেরাউনের উত্তরসূরিদের ওপর খোদার গজব এভাবেই নেমে আসে। এই অভিযানের সাফল্য উৎসর্গ করা হয়েছে শহীদ কমান্ডার আর সাধারণ মানুষের আত্মার উদ্দেশ্যে। আইআরজিসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শত্রু আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত এই হামলা চলতেই থাকবে এবং ইরানের ওপর থেকে যুদ্ধের ছায়া না সরা পর্যন্ত তারা থামবে না।
এদিকে যুদ্ধের ময়দান যখন উত্তপ্ত, ঠিক তখনই আইআরজিসি অ্যারোস্পেস কমান্ডার জেনারেল মাজিদ মুসাভি নতুন এক হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এক এক্স বার্তায় তিনি সরাসরি বলেছেন যে শত্রুরা খুব শিগগিরই এমন কিছু চমকের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে যা তারা কল্পনাও করতে পারছে না। ফলে সামনের দিনগুলোতে সঙ্ঘাত যে আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, সেই ইঙ্গিতই দিয়ে রাখলেন এই জেনারেল।



