আগামী নেতৃত্ব নির্বাচনে মার্কিন ‘হস্তক্ষেপ’ প্রত্যাখ্যান ইরানের

ইরান নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে মার্কিন ‘হস্তক্ষেপ’ দাবি করে দেওয়া মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যকে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অবৈধ হস্তক্ষেপ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইরানের পতাকা
ইরানের পতাকা |সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নিহতের পর নতুন উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের দাবির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত।

গতকাল শুক্রবার জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত এ নিন্দা জানিয়েছে।

ট্রাম্পের এই অংশগ্রহণ বা হস্তক্ষেপের ইচ্ছাকে তেহরান অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অবৈধ হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে বলে জানা তিনি।

জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত ইরানের দূত আমির সাইদ ইরাভানি বলেছেন, ট্রাম্পের দাবি ‘রাষ্ট্রগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করছে এবং এটি জাতিসঙ্ঘের সংবিধানে প্রতিষ্ঠিত নিয়মেরও পরিপন্থী।’

ইরাভানি নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরান একটি সার্বভৌম এবং স্বাধীন রাষ্ট্র। এটি কোনো বিদেশী শক্তিকে তার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে দেয় না এবং কখনো অনুমতি দেবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইরানের নেতৃত্ব নির্বাচন আমাদের সাংবিধানিক পদ্ধতি অনুসারে এবং কেবলমাত্র ইরানি জনগণের ইচ্ছা অনুসারে, কোনও বিদেশী হস্তক্ষেপ ছাড়াই হবে।’

বার্তাসংস্থা অ্যাক্সিওসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার বলেছেন, ইরানের পরবর্তী নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় তাকে ‘নিজেকে অবশ্যই জড়িত থাকতে হবে।’

তিনি ওই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তিনি এই সিদ্ধান্তে সরাসরি ভূমিকা রাখতে চান এবং সর্বোচ্চ নেতা খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী নেতৃত্বের জন্য ‘গ্রহণযোগ্য’ মনে করছেন না। তিনি খামেনির ছেলেকে উপযুক্ত নেতা হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেন।

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রদূত আবারো মার্কিন-ইসরাইলি হামলার প্রতিশোধ নেয়ার পদক্ষেপকে আইনি এবং বলে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে অ-সামরিক স্থানে কথিত হামলার তদন্ত চলছে।

সূত্র : বাসস