ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হাউছিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে তাদের গণমাধ্যম আনসারুল্লাহ।
বাব আল-মান্দাব প্রণালীর কাছে আরো কিছু এলাকা দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার মধ্যেই তারা এ হামলা চালায়।
সোমবার হাউছিরা অভিযোগ করে, সৌদি আরব ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার মধ্যে একটি কারাগারে চালানো হামলায় প্রাণহানির ঘটনাও রয়েছে বলে দাবি তাদের।
মঙ্গলবার আনসারুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক পোস্টে জানায়, ‘ইয়েমেনি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সৌদির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।’
অন্য একটি পোস্টে তারা জানায়, হামলায় আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কিং খালিদ বিমানঘাঁটি এবং আবহা ও জিজান এলাকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বৃহৎ তেল কোম্পানি আরামকোর বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
তবে হাউছিদের এসব দাবির বিষয়ে সৌদি আরব তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় কয়েক দিনের সংঘর্ষে ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং শত শত পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জানা গেছে। বাব আল-মান্দাব প্রণালী-সংলগ্ন এলাকা দখলের চেষ্টা করছে হাউছিরা।
বাব আল-মান্দাব প্রণালী লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশপথ। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি সৌদি আরবের তেল রফতানির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে ইরান লোহিত সাগরের সাথে সংযুক্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ওই অবরোধ চলছে।
হাউছিদের সংবাদমাধ্যম আল-মাসিরাহ জানায়, জাওফ প্রদেশের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক হাসান সাবুলা বলেছেন, সোমবার একটি কারাগারে চালানো হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও ২০ জন বন্দী নিখোঁজ রয়েছেন।
হাউছিদের সাথে সংশ্লিষ্ট বার্তাসংস্থা সাবা এর আগে জানিয়েছিল, নিহতদের মধ্যে ওই কারাগারে স্বজনের সাথে দেখা করতে আসা এক শিশুও ছিল।
সূত্র : বাসস



