পশ্চিমতীরের ১৭ একর ভূমি ইসরাইলের দখলে

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ একটি সামরিক আদেশের মাধ্যমে ১৭ একর ১৪৭ বর্গমিটার ভূমির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। যার ফলে নাবলুস গভর্নরেটের কারিউত, আল-লুব্বান আল-শারকিয়া ও আল-সাউইয়া গ্রামের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

অধিকৃত পশ্চিমতীরের উত্তরে প্রায় ১৭ একর ফিলিস্তিনি জমি দখল করেছে ইসরাইলি বাহিনী। ইসরাইল তাদের চলমান ভূমি দখল নীতির জন্য বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে।

রোববার ফিলিস্তিন উপনিবেশ ও প্রাচীর প্রতিরোধ কমিশনের (সিডব্লিউআরসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতি অনুসারে, দখল করা ৭০ হাজার বর্গমিটার অর্থাৎ ১৭ একর এলাকা নাবলুস গভর্নরেটের বেশ কয়েকটি গ্রামে অবস্থিত।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইসরাইলি দখলদার কর্তৃপক্ষ একটি সামরিক আদেশের মাধ্যমে ১৭ একর ১৪৭ বর্গমিটার ভূমির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। যার ফলে নাবলুস গভর্নরেটের কারিউত, আল-লুব্বান আল-শারকিয়া ও আল-সাউইয়া গ্রামের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

সিডব্লিউআরসি জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য এলাকার ইসরাইলি অবৈধ বসতি ‘এলি’র চারপাশে একটি বাফার জোন প্রতিষ্ঠা করা। কমিশন উল্লেখ করেছে, আপত্তি জানানোর সময়সীমা শেষ হওয়ার পরেই ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ সামরিক আদেশ প্রকাশ করেছে।

কমিশন আরো উল্লেখ করেছে, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সামরিক উদ্দেশ্যে ৫৩টি ভূমি দখলের আদেশ জারি করেছে। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ গত দুই বছরে হাজার হাজার বর্গমিটার ফিলিস্তিনি জমি দখল করেছে। তারা ইসরাইলি বসতি আশপাশে ২৫টি বাফার জোন প্রতিষ্ঠা করেছে।

এই পরিস্থিতি এমন সময় এসেছে যখন ইসরাইলের কট্টরপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ অধিকৃত পশ্চিমতীরের ভূমি দখল বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গত মাসে তিনি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা রোধ করার লক্ষ্যে অধিকৃত পশ্চিমতীরের ৮০ শতাংশেরও বেশি এলাকা নিজেদের সাথে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন।

সূত্র : প্রেস টিভি