গাজার পানিসীমায় প্রবেশ করেছে ফ্লোটিলার একটি নৌযান, পথে আরো ২৩টি

ফ্লোটিলা লাইভ ট্র্যাকার অনুসারে, মিকেনো নামে একটি নৌযান বর্তমানে গাজার জলসীমায় রয়েছে। তবে ইসরাইলি বাহিনী এটিকে আটক করেছে কি-না তা এখনো স্পষ্ট নয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ফ্লোটিলার লাইভ ট্র্যাকার
ফ্লোটিলার লাইভ ট্র্যাকার |সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার উদ্দেশে মানবিক ত্রাণ নিয়ে যাত্রা করা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার একটি নৌযান ইতোমধ্যে গাজার জলসীমায় প্রবেশ করেছে। নৌবহরে থাকা আরো ২৩টি নৌযান গাজার দিকে এগিয়ে চলেছে।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) ফ্লোটিলার লাইভ ট্র্যাকারের সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

ফ্লোটিলা লাইভ ট্র্যাকার অনুসারে, মিকেনো নামে একটি নৌযান বর্তমানে গাজার জলসীমায় রয়েছে। তবে ইসরাইলি বাহিনী এটিকে আটক করেছে কি-না তা এখনো স্পষ্ট নয়। ২৪টি নৌযান এখনো ইসরাইলি বাহিনীর হস্তক্ষেপের বাইরে আছে। এর মধ্যে গাজার জলসীমার কাছাকাছি আরো বেশ কয়েকটি নৌযান অবস্থান করছে।

এর আগে, বুধবার গভীর রাতে গাজামুখী মানবিক ত্রাণ নিয়ে যাত্রা করা নৌবহর সুমুদ ফ্লোটিলার ১৩টি নৌযান আটকে দিয়েছে ইসরাইলি নৌবাহিনী। এ সময় সুইডিশ মানবাধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ ওই নৌযানগুলোতে অবস্থান করা বেশ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে ইসরাইলে নিয়ে যাওয়া হয়।

মানবাধিকার গোষ্ঠীটি জানায়, গাজা উপকূল থেকে প্রায় ৭০ নটিক্যাল মাইল (১৩০ কিলোমিটার) দূরে তাদের নৌবহর আটকে দেয় ইসরাইলি বাহিনী। এ সময় তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করা হয়।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার মুখপাত্র সাইফ আবুকেশেক বলেন, ৩৭টি দেশের ২০১ জনেরও বেশি মানুষ এই নৌযানগুলোতে অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে স্পেনের ৩০ জন, ইতালির ২২ জন, তুরস্কের ২১ জন এবং মালয়েশিয়ার ১২ জন ছিলেন।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ২০২৫ সালের আগস্টের শেষের দিকে গাজা অভিমুখে যাত্রা শুরু করে। এরপর তিউনিসিয়া ও ইতালির সিসিলি দ্বীপ থেকে আরো নৌযান এই বহরে যুক্ত হয়। এছাড়া গ্রিসের সাইরাস দ্বীপ থেকে পরবর্তী সময়ে আরো কিছু নৌযান ত্রাণ বহরে যুক্ত হয়।

এই নৌবহরে ৫০টির বেশি বেসামরিক নৌযান রয়েছে। এই বহরে প্রায় ৪৪টি দেশের ৫০০ মানুষের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়ামসহ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধি, আইনজীবী, অধিকারকর্মী, চিকিৎসক ও সাংবাদিক।

সূত্র : আল জাজিরা