ইসরাইল-হামাসের পরস্পরের দোষারোপে ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কায় যুদ্ধবিরতি আলোচনা

হামাস ও ইসরাইল একে অপরকে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রচেষ্টায় বাধা দেয়ার অভিযোগ করেছে। ফলে, গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা |সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ২১ মাস ধরে চলা তীব্র লড়াই বন্ধ করার প্রচেষ্টায় হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি নিয়ে কাতারের দোহায় আলোচনা চলছে। শনিবার হামাস ও ইসরাইল একে অপরকে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রচেষ্টায় বাধা দেয়ার অভিযোগ করেছে। ফলে, গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

কাতারে পরোক্ষ আলোচনা সম্পর্কে অবগত একটি ফিলিস্তিনি সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ডে ইসরাইলের সৈন্য রাখার প্রস্তাব ৬০ দিনের এই যুদ্ধবিরতির চুক্তিকে আটকে দিয়েছে। তবে ইসরাইলের এক ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্মকর্তা হামাসের অনমনীয়তা এবং সংগঠনটি ইচ্ছাকৃতভাবে চুক্তিটিকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন।

এদিকে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, শনিবার গাজায় কমপক্ষে ৩৮ জন নিহত হয়েছে। ইসরাইল বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়স্থলে রাতভর বিমান হামলা চালিয়েছে।

গাজা শহরের বসবাসকারী বাসাম হামদান এএফপিকে বলেন, ‘আমরা যখন ঘুমাচ্ছিলাম, তখন একটি বিস্ফোরণ ঘটে। ওই স্থানে দুই ছেলে, একটি মেয়ে এবং তাদের মা অবস্থান করছিলেন। আমরা তাদের ছিন্নভিন্ন অবস্থায় দেখতে পেয়েছি।’

হামাস ও ইসরাইল উভয় পক্ষই বলছে, যদি একটি চুক্তি হয় তাহলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস যোদ্ধাদের হামলার পর থেকে আটক ১০ জন ইসরাইলি পণবন্দীকে মুক্তি দেয়া হবে।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের জন্য আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

সূত্র : বাসস