মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার কোন কোন ঘাঁটিতে এ পর্যন্ত আঘাত হানল ইরান?

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে 'অপারেশন নসর দুই' নাম দিয়ে একের পর এক পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইসলামি রিভোলিউশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি

নয়া দিগন্ত অনলাইন
আর আল্লাহ অবশ্যই তাকে সাহায্য করবেন, যে তাঁর (দ্বীনের) সাহায্য করে (সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত : ৪০) লেখা ক্যালিগ্রাফির পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন ইরানি নারী
আর আল্লাহ অবশ্যই তাকে সাহায্য করবেন, যে তাঁর (দ্বীনের) সাহায্য করে (সূরা আল-হাজ্জ, আয়াত : ৪০) লেখা ক্যালিগ্রাফির পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন ইরানি নারী |সংগৃহীত

গত সপ্তাহ থেকে ইরানের দক্ষিণ অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালানো শুরু করেছে। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে 'অপারেশন নসর দুই' নাম দিয়ে একের পর এক পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইসলামি রিভোলিউশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি। এই তালিকা পুরোপুরি আইআরজিসির বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, এতে ইরানি সেনাবাহিনীর অন্যান্য খবরের কথা যুক্ত করা হয়নি।

ইরানের ইংরেজি সংবাদ সংস্থা ওয়ানা মঙ্গলবার(২১ জুলাই) জানিয়েছে, গত সপ্তাহের সোমবারে জর্ডানের উত্তর-পূর্বের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটির বড় দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ডিপো ও জ্বালানি ট্যাংকে আঘাত হানে আইআরজিসি। বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটির হেলিকপ্টার মেরামত কেন্দ্র, একটি পি-আট ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান হ্যাঙ্গার ও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র গুড়িয়ে দেওয়ার দাবি করা হয়। কুয়েতের আলী আল সালেম এবং আহমদ আল জাবের বিমানঘাঁটির জ্বালানি ডিপো, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও কৌশলগত এফপিএস রাডার ধ্বংস করা হয়। একইসাথে কুয়েতে মার্কিন স্থল বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং ওমানের দীর্ঘপাল্লার নজরদারি রাডারে হামলা চলে।

মঙ্গলবারে বাহরাইনের জুফায়ার নৌঘাঁটির অস্ত্রাগার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র ও মার্কিন সেনাদের বাসস্থানে আঘাত হানা হয়। বাহরাইনে পঞ্চম নৌবহরের প্রধান কার্যালয়ের জ্বালানি ডিপো, প্যাট্রিয়ট রাডার এবং সি-র‍্যাম ব্যবস্থার ওপর হামলা চালায় আইআরজিসি। এছাড়া জর্ডানের একটি গোপন সামরিক ঘাঁটি এবং কুয়েত-বাহরাইনের ড্রোন উড্ডয়ন কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ফেলা হয়।

বুধবারে কুয়েতের মিনা আবদুল্লাহতে মার্কিন সেনাদের প্রধান রসদ সরবরাহ কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়। বাহরাইনে পঞ্চম বহরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ও সরঞ্জামাগার ধ্বংস করার দাবি করা হয়। জর্ডানের মুওয়াফফাক আল সালতি বিমানঘাঁটিতে রাখা এফ-ফিফটিন, এফ-সিক্সটিন ও এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং ড্রোন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। কুয়েতের প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রে নতুন করে আঘাত হানা হয়।

বৃহস্পতিবারে কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটির প্রারম্ভিক সতর্কীকরণ রাডার এবং মার্কিন সেনাদের সমাবেশের স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ফেলে আইআরজিসি।

শুক্রবারে জর্ডানের বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের নতুন কমান্ড সেন্টারে হামলা চলে। কুয়েতের শাইব এলাকাতে মার্কিন সামরিক জেটি ও ওমানের সালামাহ রক্সের জলপথ নজরদারি রাডারে আঘাত করা হয়। সিরিয়ার আল-তানফ ঘাঁটিতে মার্কিন স্পেশাল অপারেশন্সের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংস করে কয়েকজন মার্কিন সেনাকে হত্যার দাবি করা হয়। একইদিনে কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটির দীর্ঘপাল্লার রাডার ও জ্বালানি পরিপূরক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শনিবারে বাহরাইনের প্রধান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেন্দ্র ও বিমান প্রতিরক্ষা ডিপোতে হামলা চালানো হয়। আইআরজিসি জানায়, হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণে দুটি তেলবাহী জাহাজ মাইন বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েতের আরিফজান ও আলী আল সালেম ঘাঁটিতে মার্কিন সেনারা হতাহত হয়েছে। কুয়েতের আল আহমাদি বন্দরের জ্বালানি সরবরাহ জেটি ও বাহরাইনের ব্যাটেলকো তথ্য কেন্দ্রে তীব্র হামলা চালানো হয়। জর্ডানের মুওয়াফফাক আল সালতি ঘাঁটিতে আশ্রয় নেওয়া আরো বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয় বলে আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত সপ্তাহ থেকে ইরানের দক্ষিণ অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালানো শুরু করেছে। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে 'অপারেশন নসর দুই' নাম দিয়ে একের পর এক পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইসলামি রিভোলিউশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি। এই তালিকা পুরোপুরি আইআরজিসির বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, এতে ইরানি সেনাবাহিনীর অন্যান্য খবরের কথা যুক্ত করা হয়নি।

ইরানের ইংরেজি সংবাদ সংস্থা ওয়ানা মঙ্গলবার(২১ জুলাই) জানিয়েছে, গত সপ্তাহের সোমবারে জর্ডানের উত্তর-পূর্বের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটির বড় দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ডিপো ও জ্বালানি ট্যাংকে আঘাত হানে আইআরজিসি। বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটির হেলিকপ্টার মেরামত কেন্দ্র, একটি পি-আট ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান হ্যাঙ্গার ও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র গুড়িয়ে দেওয়ার দাবি করা হয়। কুয়েতের আলী আল সালেম এবং আহমদ আল জাবের বিমানঘাঁটির জ্বালানি ডিপো, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও কৌশলগত এফপিএস রাডার ধ্বংস করা হয়। একইসাথে কুয়েতে মার্কিন স্থল বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং ওমানের দীর্ঘপাল্লার নজরদারি রাডারে হামলা চলে।

মঙ্গলবারে বাহরাইনের জুফায়ার নৌঘাঁটির অস্ত্রাগার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র ও মার্কিন সেনাদের বাসস্থানে আঘাত হানা হয়। বাহরাইনে পঞ্চম নৌবহরের প্রধান কার্যালয়ের জ্বালানি ডিপো, প্যাট্রিয়ট রাডার এবং সি-র‍্যাম ব্যবস্থার ওপর হামলা চালায় আইআরজিসি। এছাড়া জর্ডানের একটি গোপন সামরিক ঘাঁটি এবং কুয়েত-বাহরাইনের ড্রোন উড্ডয়ন কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ফেলা হয়।

বুধবারে কুয়েতের মিনা আবদুল্লাহতে মার্কিন সেনাদের প্রধান রসদ সরবরাহ কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়। বাহরাইনে পঞ্চম বহরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ও সরঞ্জামাগার ধ্বংস করার দাবি করা হয়। জর্ডানের মুওয়াফফাক আল সালতি বিমানঘাঁটিতে রাখা এফ-ফিফটিন, এফ-সিক্সটিন ও এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং ড্রোন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। কুয়েতের প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রে নতুন করে আঘাত হানা হয়।

বৃহস্পতিবারে কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটির প্রারম্ভিক সতর্কীকরণ রাডার এবং মার্কিন সেনাদের সমাবেশের স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ফেলে আইআরজিসি।

শুক্রবারে জর্ডানের বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের নতুন কমান্ড সেন্টারে হামলা চলে। কুয়েতের শাইব এলাকাতে মার্কিন সামরিক জেটি ও ওমানের সালামাহ রক্সের জলপথ নজরদারি রাডারে আঘাত করা হয়। সিরিয়ার আল-তানফ ঘাঁটিতে মার্কিন স্পেশাল অপারেশন্সের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংস করে কয়েকজন মার্কিন সেনাকে হত্যার দাবি করা হয়। একইদিনে কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটির দীর্ঘপাল্লার রাডার ও জ্বালানি পরিপূরক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শনিবারে বাহরাইনের প্রধান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেন্দ্র ও বিমান প্রতিরক্ষা ডিপোতে হামলা চালানো হয়। আইআরজিসি জানায়, হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণে দুটি তেলবাহী জাহাজ মাইন বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েতের আরিফজান ও আলী আল সালেম ঘাঁটিতে মার্কিন সেনারা হতাহত হয়েছে। কুয়েতের আল আহমাদি বন্দরের জ্বালানি সরবরাহ জেটি ও বাহরাইনের ব্যাটেলকো তথ্য কেন্দ্রে তীব্র হামলা চালানো হয়। জর্ডানের মুওয়াফফাক আল সালতি ঘাঁটিতে আশ্রয় নেওয়া আরো বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয় বলে আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।